কর্মীদের কাজের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা। আগামী বছর থেকে প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের কর্মক্ষমতার মূল্যায়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব যুক্ত করবে। অর্থাৎ কাজের ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে মেটা।
বিজনেস ইনসাইডারের হাতে আসা একটি অভ্যন্তরীণ নোটে দেখা গেছে, মেটার হেড অব পিপল জ্যানেল গেইল জানিয়েছেন, ২০২৬ সাল থেকে কর্মীরা কীভাবে এআই ব্যবহার করে কাজ আরো দক্ষভাবে করছে, তা মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হয়ে উঠবে। এটি ইঞ্জিনিয়ারিং, মার্কেটিং বা অপারেশনস, সব বিভাগের কর্মীদের জন্য প্রযোজ্য। মেটা চায়, কর্মীরা এআই ব্যবহার করে কাজকে দ্রুত, সহজ ও দক্ষভাবে সম্পন্ন করুক।
চলতি বছর থেকেই কর্মীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে তাদের কাজের মধ্যে এআই ব্যবহার করে যে সাফল্য এসেছে তা দেখাতে। তবে ২০২৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়নের অংশ হবে না।
গেইল জানিয়েছেন, যেসব কর্মী বা দল এআই ব্যবহার করে কাজের কার্যকারিতা বাড়াবে, তাদের বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেয়া হবে। আগামী বছর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে গণ্য হবে।
কাজ সহজ করার জন্য মেটা একটি এআই পারফরম্যান্স অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করতে যাচ্ছে। এটি অভ্যন্তরীণ এআই বট মেটামেট ও গুগলের জেমিনির মতো টুলসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কর্মীদের রিভিউ ও ফিডব্যাক তৈরি করতে সাহায্য করবে।
মেটার পদক্ষেপটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এআই ব্যবহার বাড়ানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাইক্রোসফট, গুগল ও অ্যামাজনও এআই ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছে। গেইল বলেন, লক্ষ্য হলো সেই কর্মীদের স্বীকৃতি দেয়া যারা মেটার এআই রূপান্তরকে দ্রুত এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে।






















