চট্টগ্রামে বাসা থেকে চুরি হওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রীতিমতো ‘কেঁচো খুঁড়তে সাপ’ বেরিয়ে এসেছে। একটি ফোনের সূত্র ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উদ্ধার করেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আরও ১৪৮টি চোরাই মোবাইল ফোন ও দুটি ডিএসএলআর ক্যামেরা।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চোর চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নগরীর কোতোয়ালি পুরোনো রেলস্টেশন ও চৈতন্যগলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর জোন) মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক জানান, গত ১৪ সেপ্টেম্বর এক ব্যক্তি ডিবি (বন্দর) কার্যালয়ে অভিযোগ করেন যে, প্রায় এক মাস আগে তার বাসা থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবির একজন উপপরিদর্শককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে চুরি হওয়া ফোনটির অবস্থান শনাক্ত করেন। এর সূত্র ধরেই কোতোয়ালির হকার্স মার্কেট গলির একটি মোবাইল ফোনের দোকান থেকে প্রথমে সোহেল মিয়া নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোহেল মিয়াকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চোর চক্রের অন্য সদস্যদের তথ্য। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর কোতোয়ালি পুরোনো রেলস্টেশন ও চৈতন্যগলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে আইফোনসহ বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের মোট ১৪৮টি চোরাই মোবাইল ফোন এবং দুটি ডিএসএলআর ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: ১. সোহেল মিয়া (৩৩) – বাড়ি কিশোরগঞ্জ। ২. আব্দুল হাকিম প্রকাশ রাকিব (২৭) – বাড়ি সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম। ৩. মো. ইয়াছিন (২০) – বাড়ি ফেনী।
পুলিশের ভাষ্য ডিবির উপকমিশনার বলেন, “গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মোবাইল চোর চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা চোরাই ফোন সংগ্রহ করে নামমাত্র দামে বিক্রি করত।” চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।






















