দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যায় নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবর শেষে দেশে সক্রিয় মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজারে।
দেশের অপারেটরগুলোর মধ্যে বরাবরের মতোই আধিপত্য ধরে রেখেছে গ্রামীণফোন। তবে অন্য অপারেটরগুলোও তাদের গ্রাহক ভিত্তি শক্তিশালী করছে। বিটিআরসির তথ্যমতে অপারেটরভিত্তিক গ্রাহক সংখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
| অপারেটর | গ্রাহক সংখ্যা |
| গ্রামীণফোন | ৮ কোটি ৫৯ লাখ |
| রবি আজিয়াটা | ৫ কোটি ৭৫ লাখ |
| বাংলালিংক | ৩ কোটি ৭৯ লাখ |
| টেলিটক | ৬৬ লাখ ৭০ হাজার |
বিটিআরসির তথ্যে একটি আকর্ষণীয় দিক ফুটে উঠেছে তা হলো নিবন্ধিত ও সক্রিয় সিমের ব্যবধান। বর্তমানে দেশে মোট নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ২৬ কোটি ৬৩ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ১৯ কোটি সিম বর্তমানে সক্রিয় অবস্থায় আছে। বাকি প্রায় ৭ কোটি ৬৩ লাখ সিম নিবন্ধিত হলেও বর্তমানে সেগুলো নিষ্ক্রিয় বা বন্ধ রয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন গ্রাহকের একাধিক সিম ব্যবহারের প্রবণতা এবং ডেটা ব্যবহারের চাহিদা বাড়ায় সিমের সংখ্যা বাড়ছে। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক গ্রাহক সংখ্যায় এখনো অন্য বেসরকারি অপারেটরগুলোর চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। মূলত ফোর-জি নেটওয়ার্কের বিস্তার এবং স্মার্টফোনের সহজলভ্যতাই এই বিশাল গ্রাহক সংখ্যা তৈরির মূল চালিকাশক্তি।
বিটিআরসি আরও জানায়, সিমের এই সক্রিয়তা বজায় রাখতে এবং গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিত নেটওয়ার্কের গুণমান (QoS) পর্যবেক্ষণ করছে।






















