মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের অব্যবহৃত ডেটা ও টকটাইম (মিনিট) পরবর্তী প্যাকেজের সঙ্গে যুক্ত হবে কি না, সে সংক্রান্ত শর্তাবলি এখন থেকে গ্রাহকদের কাছে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো এই তথ্য পরিষ্কারভাবে গ্রাহকদের নিশ্চিত করবে।
গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেশের মোবাইল অপারেটরদের এমন পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকসহ দেশের সব মোবাইল অপারেটরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলিম আখতার খানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অধিদপ্তরের পরিচালক (অভিযোগ) মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম বলেন, অপারেটরদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানা অভিযোগ নিষ্পত্তিতে বিলম্ব হচ্ছে, কারণ অনেক অপারেটর নিয়মিত শুনানিতে উপস্থিত থাকছে না।
আলোচনা শেষে গ্রাহকদের স্বার্থে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় নেওয়া প্রধান ৫টি সিদ্ধান্ত:
১. অভিযোগ নিষ্পত্তি: মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরে দাখিল করা অভিযোগগুলো আগামী ৭ দিনের মধ্যে যাচাই করে নিষ্পত্তি করতে হবে এবং তার প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যেসব অভিযোগ নিয়ে দ্বিমত থাকবে, সেগুলোর শুনানিতে নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে উপস্থিত থাকতে হবে।
২. টেকনিক্যাল চেকলিস্ট: অভিযোগের গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অপারেটররা একটি টেকনিক্যাল চেকলিস্ট তৈরি করে ৭ দিনের মধ্যে অধিদপ্তরে জমা দেবে।
৩. অব্যবহৃত ডেটা ও মিনিট: অব্যবহৃত ডেটা ও মিনিট পরবর্তী প্যাকেজে যুক্ত হওয়ার শর্তাবলি গ্রাহককে পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে।
৪. কাস্টমার কেয়ারের কলচার্জ: গ্রাহক অভিযোগ জানানোর জন্য কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে সেই কলচার্জ মওকুফ করার সম্ভাব্যতা যাচাই করে অপারেটরদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. ব্যবহৃত সিম বিক্রয়: পুরোনো বা ব্যবহৃত সিম নতুন করে বিক্রি করার ক্ষেত্রে প্যাকেটের গায়ে ইংরেজিতে ‘Re-Used’ এবং বাংলায় ‘পূর্বে-ব্যবহৃত’ কথাটি স্পষ্টভাবে লিখে দিতে হবে, যাতে গ্রাহক কেনার আগেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হতে পারেন।






















