অ্যাপলের নতুন ফোল্ডেবল আইফোন ডুরে ভালো সাড়া ফেলতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন বিশ্লেষকরা। চলতি মাসে বাজারে আসার পর ডিভাইসটির বিক্রি ৬০ লাখ ইউনিট ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য ন্যাশনাল।
আইফোন ডুওর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯৯ ডলার। একই শ্রেণির স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড৮-এর চেয়ে এর দাম প্রায় ১০০ ডলার বেশি। প্রথম প্রজন্মের ফোল্ডেবল আইফোন হিসেবে এতটা উচ্চমূল্য নির্ধারণকে ‘সাহসী পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছে কাউন্টারপয়েন্ট।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা পরিচালক তারুন পাঠক বলেন, ‘অ্যাপলের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি নতুন ডিভাইসটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। এছাড়া আইফোন প্রো সিরিজের বর্তমান ব্যবহারকারী ও অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনের অপেক্ষায় থাকা ক্রেতারা ফোনটির চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে।’
অ্যাপল চলতি মাসেই আইফোন ডুও উন্মোচন করেছে। এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন। অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী জন টার্নাস ডিভাইসটির নকশাকে ‘চিন্তাশীল নকশা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইফোন ডুওর প্রি-অর্ডার শুরু হবে ১৬ অক্টোবর। দেশটিতে এর দাম শুরু হবে ৮ হাজার ৪৯৯ দিরহাম বা প্রায় ২ হাজার ৩০০ ডলার থেকে। বেশি স্টোরেজের মডেলের দাম আরো বেশি।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইডিসির ওয়ার্ল্ডওয়াইড কোয়ার্টারলি মোবাইল ফোন ট্র্যাকার অনুযায়ী, চলতি বছর শেষে বিশ্বে স্মার্টফোন বিক্রি ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ১০০ কোটি ইউনিটে নামতে পারে। শিল্পটির ইতিহাসে যা হবে সবচেয়ে বড় সংকোচন।
এমন পরিস্থিতিতে অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোনের সম্ভাব্য বিক্রি স্মার্টফোন বাজারের গতি ফিরিয়ে আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অ্যাপলের নিজস্ব গ্রাহকভিত্তি ও নতুন ধরনের ডিভাইসের প্রতি আগ্রহ ফোল্ডেবল ফোনের বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।




















