বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনিয়ম চিহ্নিত হলে আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ প্রণোদনা পাবেন তথ্য প্রকাশকারীরা।
পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ ও তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা প্রদান-২০২৬ বিধিমালার উদ্দেশ্য পুঁজিবাজারে অনিয়ম, প্রতারণামূলক কার্যক্রম এবং অন্যান্য আর্থিক অসদাচরণ চিহ্নিত করতে উৎসাহিত করা।
বিধিমালায় তথ্য প্রকাশকারীদের পরিচয় গোপন রাখার শর্ত দেয়া হয়েছে। প্রকাশকারীর সম্মতি ছাড়া তার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তিনি যদি চাকরিজীবী হন তবে তার বিরুদ্ধে পদাবনতি, বদলি, চাকরিচ্যুতি বা অন্য কোনো বৈষম্যমূলক পদক্ষেপ নেয়া যাবে না। এছাড়া মামলায় সাক্ষী করাও বাধ্যতামূলক হবে না এবং আদালতে তার পরিচয় গোপন রাখার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তথ্য প্রকাশকারীরা নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য সরবরাহ করবেন। বিধিমালায় বলা হয়েছে, তথ্যের ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত বিশ্বাস থাকতে হবে যে তা সত্য বা সম্ভাব্যভাবে সঠিক। প্রকাশযোগ্য তথ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শেয়ারবাজার আইন লঙ্ঘন, প্রতারণামূলক কার্যক্রম, বাজার কারসাজি, অর্থ আত্মসাৎ বা অপব্যবহার, অর্থ পাচার, লভ্যাংশ-সংক্রান্ত অনিয়ম।
খসড়া বিধিমালা অনুযায়ী, যদি কোনো কোম্পানি বা ব্যক্তি পুঁজিবাজার সম্পর্কিত আইন বা বিধি লঙ্ঘন করে এবং কমিশনের তদন্তের পর সেই লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা আদায় করা হয়, তবে সেই আদায়কৃত জরিমানার ২৫ শতাংশ তথ্য প্রকাশকারীকে প্রণোদনা দেয়া হবে। তবে এ প্রণোদনা কোনোভাবেই ১০ কোটি টাকার বেশি হবে না।
বিএসইসি জানিয়েছে, বিধিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম রোধে তথ্য প্রকাশকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করা। জনমত যাচাই শেষে বোর্ড অনুমোদনের মাধ্যমে বিধিমালাটি গেজেট আকারে চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।





















