বন্ডের পুরো কাজই দ্রুত অটোমেশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকা। ১লা ডিসেম্বর থেকে আর মান্যুয়ালভাবে বন্ডের কোনো কাজ হবে না জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেছেন, ‘আল্ট্রালাইজেশন পারমিশন (ইউপি) ইস্যুতে কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিবিএমএস) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাস্টমস বন্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিবিএমস) বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমরা একমত হয়েছি। আমরা একটি সার্কুলার জারি করবো, এখন থেকে আর কাগজে কোনো কাজ নেব না। আমরা শতভাগ অটোমেটেড করবো। যত দ্রুত সম্ভব করবো। আমরা চেষ্টা করবো ১ ডিসেম্বর থেকে এটা বাধ্যতামূলক কারার।’
‘যদি কোনো সমস্যা থাকে, বড় জোর এক সপ্তাহ সময় নেবো। সিবিএমএস-কে বাধ্যতামূলক করবো। তার আগে রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের (এআরও); তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে’- যোগ করেন তিনি।
১৬ নভেম্বর, রবিববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বন্দর অটোমেশন নিয়ে অংশীজন সভা শেষে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য এসব কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতারা ছাড়াও পোশাক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবাসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বন্ড অটোমেশনে অদক্ষতা প্রমাণ হলে রাজস্ব ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষায় ফেল করলে অদক্ষতা বিবেচনা করে চাকরিচ্যুত করা হবে। কোনো ছাড় নেই।’
তিনি আরও বলেন, অ্যাসাইকুডার বিকল্প সিস্টেম চালু করার চেষ্টা করছি। সেটি পাইলটিং হবে। যদি অ্যাসাইকুডার বিকল্প হিসাবে দাঁড়ায় তখন ব্যবহার করবো না। তবে বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এনবি আর চেয়ারম্যান বলেন, বন্ড প্রক্রিয়া স্বংক্রিয় হলে ভোগান্তি অনেক কমবে। সকল তথ্য ডেটাবেজে সংরক্ষণ থাকলে বণ্ডের অপব্যবহার সহ অনেক অনিয়মই থামানো সম্ভব হবে।
তবে যে সব পণ্য দেশেই তৈরি হয় তা আমদানিতে বণ্ড সুবিধা না দেওয়ার তাগিদ দেন ব্যবসায়ী নেতারা। চালান ও নথি পত্র নিরীক্ষা সহজ করে হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তারা। সার্বিক কর দেয়ার পরও উৎসেকর দেয়া অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তার সঙ্গ সুর মিলিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, যখন আপনারা (রাজস্ববোর্ড) কোনো সুবিধা করবেন, সেজন্য যেন সংসদে যাওয়া হয়। যেসব সুযোগ সুবিধার কথা বলে বিনিয়োগের কথা বলা হলো, বিনিয়োগ শুরুর আগেই সেই সুবিধা প্রত্যাহার করা যাবে না।






















