বাংলাদেশের রাজধানীর সেনাপ্রাঙ্গণে প্রায় ২ হাজার উদ্যোক্তাকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে চায়না ই–কমার্স বিজনেস সামিট ২০২৫। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মাটিকাটা রোডে এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এআরসি ইন্টারন্যাশনাল। এতে ১০ জন সফল চীনা ব্যবসায়ী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বেল্লাল হোসেন খান বলেন, চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সহজে প্রবেশ করানো সম্ভব।
সামিটে অন্যান্য বক্তারা জানান, চীনা পণ্যের আমদানি বাড়ানো সময়োপযোগী পদক্ষেপ, যা শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব গঠনে সহায়ক হবে।
সামিটের মূল লক্ষ্য হলো নতুন উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক প্রসার এবং পণ্য বাজারজাত আরও সহজ করা। আমদানি ও রপ্তানি খাতকে সমৃদ্ধ করতে ব্যবসায়িক সুযোগ এবং জ্ঞানকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন বক্তারা।
এআরসি ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহীম হোসেন প্রিন্স জানান, দেশের বাজারে চীনা পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কম মূল্যে মানসম্মত পণ্য বাজারকে যেমন সমৃদ্ধ করবে, তেমনি ভোক্তাদের সন্তুষ্টিও বাড়াবে। “উইনিং প্রোডাক্ট” নির্ধারণ করে তা সহজে আমদানি ও বিক্রিতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করাই সামিটের লক্ষ্য। এমন উদ্যোগ বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান বাড়াতেও সহায়ক হবে বলে জানান তিনি।






















