উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গবেষণা ও প্রকাশনা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৪’। এতে গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৬৩ জন গবেষককে পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের গবেষণার ১০০টিরও বেশি প্রবন্ধ জ্ঞানবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিরা অংশ নেন।
গবেষণার মান যাচাইয়ের জন্য গবেষণাপত্রগুলোকে স্কোপাস, ওয়েব অব সায়েন্স, ইউইউ জার্নাল ও অন্য সম্মানসূচক ও উচ্চ প্রভাবশালী জার্নালে প্রকাশিত ও সূচিবদ্ধ হতে হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেয়া হয় সনদপত্র ও নগদ অর্থ সম্মানী।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের গবেষণামূলক অবদান ও স্কোপাস-ইনডেক্সে স্থান পাওয়া প্রবন্ধগুলোকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি জানানো হয়। আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের মতে, এ উদ্যোগ শুধু গবেষণার স্বীকৃতি নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনী চিন্তা ও একাডেমিক উৎকর্ষের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্ডিগো উত্তরা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আবিদ আজিজ। সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সুলতানুল ইসলাম।
উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াসমীন আরা লেখা বলেন, আজ আমরা আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের অসাধারণ গবেষণা অর্জন উদযাপন করছি। তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অবস্থান ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে। এ আয়োজন আমাদের উদ্ভাবনী গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
বিশেষ অতিথি আবিদ আজিজ বলেন, ভবিষ্যতের গবেষণায় জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে নিজেদের কাজকে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকেও আরো ভালোভাবে কাজে লাগাতে হবে।





















