Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT

এপস্টেইন ফাইলস: ক্ষমতার অন্ধকার অন্দরমহল ও ফুঁসে ওঠা জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি by নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকজুম ডটটিভি
সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এপস্টেইন ফাইলস: ক্ষমতার অন্ধকার অন্দরমহল ও ফুঁসে ওঠা জনতা
Share on FacebookShare on Twitter

সম্প্রতি প্রয়াত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত মামলার অনেক নথি, ছবি, ভিডিও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। অনেকেই সেটাকে একধরনের আইনি নিষ্পত্তির দিকে যাওয়া ঘটনা হিসেবে ভাবতে চাইছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিরা বলছেন, এসব নথির ভিত্তিতে তাঁরা আর কোনো নতুন অভিযোগ আনবেন না। অনেকে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করছেন, তাহলে এসব প্রকাশের মানে কী? এ প্রশ্নের উত্তর আদালতের কক্ষে নেই। উত্তরটা আছে রাজনীতির ভেতরে, জনমতে এবং ক্ষমতার প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান অনাস্থার চিত্রে।

এটাকে আমি বলছি অভিজাত বনাম জনতা বা এলিট বনাম জনগণ। এ দ্বন্দ্ব নতুন নয়। কিন্তু এপস্টেইন ইস্যু এটাকে অস্বস্তিকরভাবে সামনে এনেছে। কারণ, এপস্টেইনের গল্পে কেবল একজন অপরাধী নেই, আছে সেই অপরাধকে সম্ভব করে তোলা নেটওয়ার্ক এবং আছে সেই নেটওয়ার্কের চারপাশে তৈরি হওয়া একধরনের অদৃশ্য সুরক্ষাবলয়। বলয়টি মানুষদের দীর্ঘদিন ধরে দেখিয়েছে যে ক্ষমতাবানদের জন্য আইনকানুন আর সাধারণ মানুষের জন্য আইনকানুনের ধরন এক নয়।

এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিগুলো থেকে তথ্য নিয়ে নতুন মামলা হবে না—এ ঘোষণা তাই অনেকের কাছে ব্যাপারটির নিষ্পত্তি নয়, বরং উসকানি। কারণ, মানুষ যে ক্ষোভ নিয়ে বসে আছে, সেটি আসলে বিচারহীনতা নিয়ে নয়, বরং ন্যায্যতার অনুপস্থিতি নিয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রে জনতার যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সেটি কোনো এক দলের একচ্ছত্র সম্পত্তি নয়। এই ক্ষোভ ডেমোক্র্যাটদের ভেতরেও আছে, কনজারভেটিভ ভোটারদেরও ভেতরে আছে। মানুষ বলতে চাইছে, ক্ষমতাবানদের সঙ্গে নীতির সম্পর্ক কি সত্যিই শিথিল? আইন কি সত্যিই সবার জন্য এক?

এ জায়গায় এসে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়। এপস্টেইন নথি ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগকে নতুন মামলা করতে বাধ্য করছে না, কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ট্রাম্পের নিজের সমর্থকদের মধ্যে এ ইস্যু ভাঙন তৈরি করছে। ট্রাম্পের রাজনীতিতে যে ভাষা বারবার ব্যবহার হয়েছে, সেটি জনতার পক্ষে দাঁড়ানোর ভাষা। সেই ভাষার বিপরীতে যদি সাধারণ সমর্থকেরা মনে করেন, অভিজাতদের বেলায় প্রশাসন গা বাঁচিয়ে চলছে, তাহলে তাঁদের আস্থা দুর্বল হয়ে যায়।

এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। এপস্টেইন নথিতে যাঁদের নাম আসছে, তাঁরা কেবল ব্যক্তি নন, তাঁরা ক্ষমতার প্রতীকও। যুক্তরাজ্যের সাবেক যুবরাজ অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন এক অর্থে রাজতন্ত্রেরই একটি অংশ। বিল গেটস প্রযুক্তি-পুঁজিবাদের পুরোনো আইকন। ইলন মাস্ক সাম্প্রতিক কালের নতুন প্রযুক্তি–সাম্রাজ্যের আইকন।

যখন এসব নাম একই গল্পে এসে পড়ে, তখন তা আদালতের ফাইলে যতটা না আলোড়ন তোলে, তার চেয়েও বেশি আলোড়ন তোলে রাজনৈতিক ভাবনায়। সাধারণ মানুষের কাছে এটা যেন একধরনের চিহ্ন হয়ে দাঁড়ায়, যেখান থেকে বোঝা যায়, ক্ষমতার ঘরটা কতটা অভেদ্য, আর সেই ঘরের ভেতরে জবাবদিহি কতটা দুর্লভ।

অনেকে ভাবেন, এসব চাপ কি কেবল রাজনৈতিক? আমি বলব, না। এই চাপ ব্যবসায়িকও। কারণ, জনমতের দোলাচল এখন বাজারকে আঘাত করে। বড় করপোরেশনগুলো এখন কেবল পণ্যের গুণে চলে না, চলে আস্থার ওপর। যে মুহূর্তে কোনো ক্ষমতাবান বা বড় ব্র্যান্ড জনমতের চোখে দূষিত হয়ে পড়ে, সেই মুহূর্তে তার অর্থনৈতিক মূল্যও কমে যায়।

ধীরগতিতে নথিগুলোকে প্রকাশ করা ক্ষতস্থান থেকে ব্যান্ডেজকে ধীরে ধীরে টানার মতো। এতে ব্যথা দীর্ঘ হয়, ক্ষোভ দীর্ঘ হয়, মনোযোগ দীর্ঘ হয়। একবারে সব প্রকাশ করলে হয়তো ক্ষতটা দ্রুত দেখা যেত, তারপর ধীরে ধীরে শুকাত। কিন্তু এভাবে টেনে টেনে প্রকাশ করলে ক্ষতটা রোজ নতুন করে জ্বলে ওঠে।
এ কারণেই গেটস বা মাস্কের মতো মানুষের নামগুলোর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক উত্তাপ ব্যবসায়িক ঝড়ও ডেকে আনতে পারে। এদিকে অ্যান্ড্রুর ক্ষেত্রে তা রাজনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত করতে পারে। কারণ, রাজপরিবারের প্রতি জনসমর্থনের ভিত্তিটাই নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে জড়িত।

এখন প্রশ্ন আসে, যদি ভবিষ্যতে কখনো কোনো আইনি উদ্যোগ নেওয়া হয়, তাহলে বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের সহযোগিতা কীভাবে আসবে? যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ। প্রত্যর্পণ, আইনি সহায়তা, গোয়েন্দা সহযোগিতা—এসব কাঠামো তাত্ত্বিকভাবে সহজ। কিন্তু বাস্তবে এপস্টেইন ইস্যুতে এসব সহজ হবে—এমনটা মনে করার কারণ নেই। কারণ, এখানে মামলা হলে তা আর শুধু অপরাধের মামলা থাকবে না, হয়ে উঠবে ক্ষমতার মামলা। আর ক্ষমতার মামলা মানেই রাষ্ট্রগুলোর জন্য কূটনৈতিক অস্বস্তি।

এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হওয়া উচিত ছিল ভুক্তভোগীদের। কিন্তু তাঁদের মধ্যে এখন কাজ করছে প্রবল হতাশা ও ক্ষোভ। কারণ, যা প্রকাশিত হয়েছে, তা তাঁদের চোখে অসম্পূর্ণ। ভুক্তভোগীরা বলছেন, আরও বিপুল নথি এখনো অপ্রকাশিত আছে। তাঁরা এটাও দেখছেন, প্রশাসন ধীরে ধীরে, খণ্ড খণ্ডভাবে নথি ছাড়ছে।

এপস্টেইন ইস্যুতে এই কৌশল উল্টো কাজ করছে। কারণ, ধীরে ধীরে তথ্য ছাড়লে মানুষের মনে সন্দেহ জমে। মানুষ ভাবতে শুরু করে, আসলে কী লুকানো হচ্ছে? ষড়যন্ত্র তত্ত্ব তখন আর কেবল একশ্রেণির মানুষের বিনোদন থাকে না, তা মূলধারার আলোচনার অংশ হয়ে ওঠে।

ধীরগতিতে নথিগুলোকে প্রকাশ করা ক্ষতস্থান থেকে ব্যান্ডেজকে ধীরে ধীরে টানার মতো। এতে ব্যথা দীর্ঘ হয়, ক্ষোভ দীর্ঘ হয়, মনোযোগ দীর্ঘ হয়। একবারে সব প্রকাশ করলে হয়তো ক্ষতটা দ্রুত দেখা যেত, তারপর ধীরে ধীরে শুকাত। কিন্তু এভাবে টেনে টেনে প্রকাশ করলে ক্ষতটা রোজ নতুন করে জ্বলে ওঠে।

প্রশাসন যদি জনতার এই ক্ষোভকে গুরুত্ব না দেয়, যদি তারা পরিষ্কারভাবে না বলে যে বাকি নথি কখন প্রকাশিত হবে, তাহলে এপস্টেইন ইস্যু আরও বড় হয়ে উঠবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এটাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে আর সাধারণ মানুষ এটাকে দায়মুক্তির আরেকটা প্রমাণ হিসেবে ধরে নেবে।

এপস্টেইন নথির প্রকাশকে আদালতের ফলাফল দিয়ে বিচার করলে আমরা ভুল বুঝব। এটা মূলত ক্ষমতার প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন। বিচার বিভাগ নতুন অভিযোগ না আনলেও এই এপস্টেইন ইস্যু এখানেই থেমে যাবে না। কারণ, মানুষ এখন আর কেবল আদালতের রায় শুনতে চায় না, তারা দেখতে চায়, রায়গুলো ক্ষমতাধরদের চ্যালেঞ্জ করতে পারছে কি না!

এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন

জুমাটো সর্ম্পকে অজানা তথ্য
নির্বাচিত

ট্রাম্পের নতুন করের যে প্রভাব পড়েছে প্রযুক্তি শিল্পে

ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই: সুযোগ ও বৈষম্যের নতুন বাস্তবতা
মতামত ও বিশ্লেষণ

ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই: সুযোগ ও বৈষম্যের নতুন বাস্তবতা

ডিজিটাল বাজারে গোপন মধু
ই-কমার্স

কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব): এতো কিসের মধু?

চীন থেকে অ্যামাজনের প্রস্থান ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
নির্বাচিত

চীন থেকে অ্যামাজনের প্রস্থান ও অন্যান্য প্রসঙ্গ

ডিজিটাল বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার এক সফল উন্নয়ন দর্শন
মতামত ও বিশ্লেষণ

ডিজিটাল বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার এক সফল উন্নয়ন দর্শন

কাস্টমার মিটআপ অভিজ্ঞতা
মতামত ও বিশ্লেষণ

কাস্টমার মিটআপ অভিজ্ঞতা

Load More

ট্রেন্ডিং টপিক

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতি কমছে
বিবিধ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার গতি কমছে

কতটা শক্তিশালী ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার?
বিবিধ

কতটা শক্তিশালী ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার?

শাওমির কনসেপ্ট সুপারকার উন্মোচন বিশ্ববাজারে আসছে আগামী বছর
অটোমোবাইল

শাওমির কনসেপ্ট সুপারকার উন্মোচন বিশ্ববাজারে আসছে আগামী বছর

গ্লোবাল ওয়্যারেবল বাজারে ফের শীর্ষে শাওমি
নির্বাচিত

গ্লোবাল ওয়্যারেবল বাজারে ফের শীর্ষে শাওমি

সপ্তাহের সবচেয়ে পঠিত

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সিমেন্সে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর নতুন দিগন্ত

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুরক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সিমেন্সে বাংলাদেশি প্রকৌশলীর নতুন দিগন্ত

২০২৬ সালে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ৫ স্মার্টফোন

২০২৬ সালে ১০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ৫ স্মার্টফোন

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ

সেবা এক্সওয়াইজেড-এর সিইও আদনান ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১৮ লাখ টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ

১০ হাজার টাকার মধ্যে ভিভো মোবাইল 2024

১০ হাজার টাকার মধ্যে ভিভো মোবাইল 2024

ADVERTISEMENT

সর্বশেষ সংযোজন

ইরানের হামলায় ধূলিসাৎ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন রাডার: টিআরটি
বিবিধ

ইরানের হামলায় ধূলিসাৎ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন রাডার: টিআরটি

উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত...

ইরাকে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিখোঁজ পাইলট

ইরাকে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিখোঁজ পাইলট

মেডিকেল কেয়ার ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল স্টার ওমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ডা. হাসনা হোসেন আখী

মেডিকেল কেয়ার ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল স্টার ওমেন লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ডা. হাসনা হোসেন আখী

রেলের টিকিট কাটতে ডিজিটাল ভোগান্তি?

রেলের টিকিট কাটতে ডিজিটাল ভোগান্তি?

মাসের সবচেয়ে পঠিত

স্টার টেকের ৯২ হাজার টাকার ল্যাপটপ নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড: চরম হয়রানির শিকার ক্রেতা

স্টার টেকের ৯২ হাজার টাকার ল্যাপটপ নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড: চরম হয়রানির শিকার ক্রেতা

ইফতারে কোন জায়গায় বিরিয়ানি দিবে জানতে ‘ইফতার ও বিরিয়ানি ট্র্যাকার’

ইফতারে কোন জায়গায় বিরিয়ানি দিবে জানতে ‘ইফতার ও বিরিয়ানি ট্র্যাকার’

অ্যান্ড্রয়েড ১৬-এর ‘অ্যাডভান্সড প্রটেকশন’ মোড কী?

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের সর্বোচ্চ ১০০ ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে গুগল

মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

ADVERTISEMENT
Facebook Twitter Instagram Youtube
Techzoom.TV

টেকজুম প্রথম বাংলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক ২৪/৭ মাল্টিমিডয়া পোর্টাল। প্রায় ১৫ বছর ধরে টেকজুম বিশ্বস্ত ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনা হিসেবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং ফিনটেক সংক্রান্ত নানা বিস্তৃত বিষয় কভার করেছে। এটি বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনাটি। বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো. ওয়াশিকুর রহমান

অনুসরণ করুন

যোগাযোগ

নিউজরুম
+88017 98 07 99 88
+88016 23 844 776
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং
+88017 41 54 70 47
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix