Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য
No Result
View All Result
Techzoom.TV
No Result
View All Result
ADVERTISEMENT

ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই: সুযোগ ও বৈষম্যের নতুন বাস্তবতা

মোহাম্মদ আব্দুল হক অনু by মোহাম্মদ আব্দুল হক অনু
Tuesday, 30 September 2025
ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই: সুযোগ ও বৈষম্যের নতুন বাস্তবতা
Share on FacebookShare on Twitter

তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের সমাজ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছে। বিশেষত ইন্টারনেট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আজকের পৃথিবীকে সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচে রূপান্তর করছে। কিন্তু এই রূপান্তরের পেছনে একটি বড় বাস্তবতা আছে—সেটি হলো ডিজিটাল বিভাজন। প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার, ব্যবহার দক্ষতা এবং কার্যকর প্রয়োগের সুযোগে ধনী-গরিবের মধ্যে বৈষম্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

বিশ্বে ডিজিটাল বিভাজনের আলোচনায় সাধারণত তিনটি ধাপ বা স্তরের কথা বলা হয়— প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডিজিটাল বিভাজন। এ প্রবন্ধে এই তিন স্তর নিয়ে আলোচনা করব, পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করব।

প্রথম ডিজিটাল বিভাজন: প্রযুক্তির মালিকানা ও প্রবেশাধিকার (১৯৯০-এর দশক)

প্রথম ডিজিটাল বিভাজন মূলত ১৯৯০-এর দশকে (১৯৯০ থেকে ১৯৯৯ সাল) শুরু হয় প্রযুক্তির অ্যাক্সেস বা প্রবেশাধিকার ঘিরে। সেসময় ধনী সমাজ দ্রুত কমপিউটার, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল ডিভাইসের সুবিধা ভোগ করতে শুরু করে। কিন্তু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সেই সুযোগ পৌঁছায়নি। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রাপ্তি, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ধনীরা এগিয়ে যায়, দরিদ্ররা পিছিয়ে থাকে। প্রযুক্তির অনুপস্থিতি তাদেরকে প্রান্তিক করে তোলে এবং উন্নয়নের মূলস্রোত থেকে আলাদা করে দেয়। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ বিভাজন স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

দ্বিতীয় ডিজিটাল বিভাজন: প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতার ফারাক (২০০০-এর দশক)

প্রথম ধাপ পার হয়ে গেলেও বিভাজন শেষ হয় না। দ্বিতীয় ডিজিটাল বিভাজন দেখা দেয় ২০০০-এর দশকে (২০০০ থেকে ২০০৯ সাল) প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতায়। যখন প্রযুক্তি অনেকটা ছড়িয়ে যায়, তখন আলোচনায় আসে ব্যবহারিক দক্ষতা ও কার্যকর ব্যবহারের ফারাক। সেসময় ধনীরা শুধু প্রযুক্তি হাতে পায়নি, বরং সেটিকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করার শিক্ষা ও অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছে। অন্যদিকে দরিদ্ররা প্রযুক্তি হাতে পেলেও ব্যবহারিক দক্ষতার অভাবে তা কাজে লাগাতে পারেনি। এই দক্ষতার বৈষম্য তাদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সীমিত করেছে। ফলে উন্নয়নের পথে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

তৃতীয় ডিজিটাল বিভাজন: মানুষ ও সম্পদের অ্যাক্সেসের পার্থক্য (২০১০-এর দশক)

ডিজিটাল বিভাজনের সবচেয়ে সূক্ষ্ম কিন্তু গভীর স্তর হলো তৃতীয় বিভাজন। এখানে কেবল প্রযুক্তির মালিকানা বা দক্ষতা নয়, বরং প্রযুক্তি ব্যবহারের সহায়ক নেটওয়ার্ক বা মানুষের অ্যাক্সেসই হয়ে ওঠে মূল বিষয়। সামাজিক পুঁজি, নেটওয়ার্ক, মানবসম্পদ ও সুযোগে প্রবেশাধিকারকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসে।

ধনীরা প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রশিক্ষিত মানুষ, দিকনির্দেশনা ও সহায়ক অবকাঠামোও পেয়েছে। বিপরীতে দরিদ্রদের হাতে প্রযুক্তি থাকলেও ব্যবহারিক সহায়তা নেই। ফলে তারা এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে না। কেবল প্রযুক্তি অ্যাক্সেস যথেষ্ট নয়; দক্ষতা, দিকনির্দেশনা এবং মানবসম্পদ ছাড়া উন্নয়ন বর্তমানে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ধনীদের শুধু প্রযুক্তি থাকে না—তাদের সাথে থাকে মেন্টর, প্রশিক্ষক, পরামর্শদাতা, নেটওয়ার্ক এবং আর্থিক সহায়তা। উদাহরণস্বরূপ, কোনো তরুণ উদ্যোক্তা যদি এআই-চালিত স্টার্টআপ শুরু করতে চায়, ধনী পরিবারের হলে তার কাছে পরামর্শদাতা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কিংবা গ্লোবাল কানেকশন সহজলভ্য। অন্যদিকে দরিদ্র পরিবারের একই তরুণ হয়তো প্রযুক্তিগত আইডিয়া থাকলেও সেই নেটওয়ার্ক বা সহায়তার অভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে না।

এই তৃতীয় বিভাজনকে এআই যুগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধরা হচ্ছে। কারণ, শুধুমাত্র মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম বা চ্যাটবট ব্যবহার জানলেই হবে না—এর সাথে যুক্ত হতে হবে মানবসম্পদ, অভিজ্ঞতা, সহযোগিতা এবং পুঁজির প্রবাহ। যারা এই ইকোসিস্টেমে সংযুক্ত হতে পারবে, তারাই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেবে।

এআই বিভাজন: বৈশ্বিক দক্ষিণকে পিছিয়ে পড়তে দেওয়া যাবে না

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র একাই ১০৯.১ বিলিয়ন ডলার এআই-এ বিনিয়োগ করেছে—যা পুরো গ্লোবাল সাউথ বা বৈশ্বিক দক্ষিণের মোট বিনিয়োগের ২০ গুণেরও বেশি। একই বছরে বৈশ্বিক এআই ফান্ডিং পৌঁছায় ২৫২ বিলিয়ন ডলারে। এর মধ্যে শুধু জেনারেটিভ এআই-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৩৩.৯ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২২ সালের তুলনায় আট গুণ বেশি।

অন্যদিকে, চীন বিনিয়োগ করেছে ৯.৩ বিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্য ৪.৫ বিলিয়ন ডলার, আর বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলো রয়ে গেছে অনেকটাই পিছিয়ে। এটি কেবল অর্থায়নের বৈষম্য নয়—এটি এক ধরনের সুযোগের বৈষম্যও বটে।

আমাদের বিশ্বাস, বৈশ্বিক দক্ষিণকে এআই-এর কেবল ভোক্তা নয়, বরং সহ-স্রষ্টা হতে হবে—যেখানে তৈরি হওয়া টুলগুলো দক্ষিণের বাস্তবতা ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রতিফলিত করবে। একসাথে আমরা এআই বিভাজন দূর করতে পারি এবং এমন একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি যা সবার জন্য সমানভাবে উপকারী হবে।

এআই যুগে বৈষম্যের ঝুঁকি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সুযোগের পাশাপাশি গভীর বৈষম্যও সৃষ্টি করতে পারে।

০১)  শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য: উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এআই ব্যবহার করে গবেষণা, টিউটরিং ও ডেটা বিশ্লেষণ এগিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু পিছিয়ে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতির উপর নির্ভর করছে।

০২)  অর্থনীতিতে বৈষম্য: বড় করপোরেশনগুলো এআই দিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াচ্ছে, খরচ কমাচ্ছে এবং নতুন বাজার দখল করছে। ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সেই প্রতিযোগিতায় টিকতে হিমশিম খাচ্ছে।

০৩) শ্রমবাজারে বৈষম্য: দক্ষ জনশক্তি এআই-ভিত্তিক নতুন চাকরিতে প্রবেশ করছে, অথচ স্বল্পদক্ষ কর্মীরা চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে আছে।

ডিজিটাল ভবিষ্যৎ: সুযোগ না বৈষম্য?

বিশ্ব অর্থনীতির ডিজিটাল অংশ চলতি বছরেই ২৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো—বিশ্বের প্রতি তিনজন মানুষের একজন এখনো এই সুযোগের ট্রেনের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে, যার নাগাল পাওয়ার কোনো উপায় নেই।

·         অনেক নিম্ন-আয়ের দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের ডিজিটাল সাক্ষরতার হার মাত্র ৫-৭ শতাংশ।

·         ইউরোপে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৩% পর্যন্ত ন্যূনতম ডিজিটাল দক্ষতার মান পূরণ করতে পারে না।

·         নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে নারীরা পুরুষদের তুলনায় ১৩% কম স্মার্টফোন ব্যবহার করেন।

·         গ্রামীণ অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগের খরচ অনেক পরিবারের মাসিক আয়ের প্রায় ১০% পর্যন্ত পৌঁছে যায়—যা অনেকের জন্যই অসম্ভব বোঝা।

এখন আবার নতুন এক বিভাজন তৈরি হচ্ছে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈষম্য। আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই এআই-এর বাজার ৪.৮ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। অথচ বৈশ্বিক বেসরকারি গবেষণা ও উন্নয়নের প্রায় অর্ধেকই মাত্র ১০০টি প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত। যদি এই প্রবণতা অব্যাহত থাকে, তবে ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে কেবল কিছু সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর জন্য।

তবে বিকল্প পথও আছে। ডিজিটাল দক্ষতার ফাঁক পূরণ করতে পারলে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জিডিপিতে বাড়তি ৮.৩ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে। এজন্য ডিজিটাল দক্ষতাকে আমাদের দেখতে হবে ঠিক যেমন আমরা দেখি মহাসড়ক, বিদ্যুৎ বা বিশুদ্ধ পানির মতো অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে।

বৈষম্য কমাতে করণীয়

ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই-জনিত বৈষম্য কমাতে কয়েকটি পদক্ষেপ জরুরি—

* সবার জন্য প্রযুক্তি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা: গ্রামীণ অঞ্চলে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, কম খরচে ডিভাইস এবং প্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়ন অপরিহার্য।

* ডিজিটাল সাক্ষরতা ও দক্ষতা উন্নয়ন: শুধু প্রযুক্তি হাতে তুলে দেওয়াই যথেষ্ট নয়; সঠিকভাবে ব্যবহার শেখানোও জরুরি।

* মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ: তরুণদের জন্য মেন্টরশিপ, প্রশিক্ষণ ও উদ্ভাবন কেন্দ্র তৈরি করতে হবে।

* নীতিগত উদ্যোগ: সরকার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বয় করে প্রযুক্তি ব্যবহারকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

এছাড়াও আগামী দিনের চাকরির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম সাজানো। দক্ষতা যেন সীমান্ত অতিক্রম করেও স্বীকৃতি পায়। কোনো প্রতিভা যেন ভৌগোলিক অবস্থান, লিঙ্গ বা আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে না পড়ে। সময় কিন্তু দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। ডিজিটাল সুযোগকে অধিকারের আওতায় আনতে হবে—কেবল সুবিধার বিষয় হিসেবে নয়। এখনই পদক্ষেপ নেয়ার সময়।

উপসংহার

প্রযুক্তি যেমন সমাজকে এগিয়ে নিচ্ছে, তেমনি বৈষম্যও বাড়াচ্ছে। প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ডিজিটাল বিভাজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—কেবল ডিভাইস হাতে পাওয়া মানেই উন্নত হওয়া নয়। আসল উন্নতি তখনই সম্ভব, যখন প্রযুক্তির পাশাপাশি দক্ষতা, নেটওয়ার্ক, জ্ঞান ও সুযোগ সবার জন্য উন্মুক্ত হবে।

এআই যুগে এই চ্যালেঞ্জ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যদি আমরা আজ ডিজিটাল বিভাজন কমাতে না পারি, তবে ভবিষ্যতের সমাজ হবে আরও বৈষম্যমূলক। তাই এখনই প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ—যাতে প্রযুক্তি সত্যিই মানবতার কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

লেখক: মোহাম্মদ আব্দুল হক অনু

মহাসচিব, বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্ন্যান্স ফোরাম এবং ফেলো, আইসক কমিউনিটি ২০২৫

Share this news as a Photo Card

Generating high-quality image, please wait...

এই বিভাগ থেকে আরও পড়ুন

স্বর্ণ চোরাচালান যদি অপরাধ হয়, তবে মোবাইল ফোন কেন নয়?
মতামত ও বিশ্লেষণ

স্বর্ণ চোরাচালান যদি অপরাধ হয়, তবে মোবাইল ফোন কেন নয়?

এনইআইআর নিয়ে ৫টি ভয়ংকর গুজব
মতামত ও বিশ্লেষণ

এনইআইআর: রাষ্ট্র কি চোরাকারবারি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি?

সাঈদ ভাইয়ের অকাল প্রস্থানে খুব শূন্য শূন্য লাগছে
মতামত ও বিশ্লেষণ

সাঈদ ভাইয়ের অকাল প্রস্থানে খুব শূন্য শূন্য লাগছে

‘বাজাটে ই-কমার্স খাতে বিদেশী বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হবে’
ই-কমার্স

‘বাজাটে ই-কমার্স খাতে বিদেশী বিনিয়োগ বাধাগ্রস্থ হবে’

সাঈদ ভাইয়ের অকাল প্রস্থানে খুব শূন্য শূন্য লাগছে
মতামত ও বিশ্লেষণ

`সাইদ ভাইয়ের মতো বন্ধু হারানোর শোক প্রেমিকা হারানোর চেয়ে বড় শোক’

কাস্টমার মিটআপ কেন এত সমাদৃত
মতামত ও বিশ্লেষণ

কাস্টমার মিটআপ কেন এত সমাদৃত

Load More

ট্রেন্ডিং টপিক

বাংলাদেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করলো গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার
প্রযুক্তি সংবাদ

বাংলাদেশে আইফোন ১৮ সিরিজ আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করলো গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার

অ্যাপলকে টক্কর দিতে ওভার-ইয়ার হেডফোন আনছে স্যামসাং
প্রযুক্তি সংবাদ

অ্যাপলকে টক্কর দিতে ওভার-ইয়ার হেডফোন আনছে স্যামসাং

Pickaboo-এর বিরুদ্ধে ভুল পণ্য সরবরাহের অভিযোগ, দেড় মাসেই নষ্ট আইপিএস
ই-কমার্স

Pickaboo-এর বিরুদ্ধে ভুল পণ্য সরবরাহের অভিযোগ, দেড় মাসেই নষ্ট আইপিএস

সোলার ইকোসিস্টেম উন্মোচন করল ওয়ালটন: সোলারে চলবে ফ্রিজ-এসি-টিভি
প্রযুক্তি সংবাদ

সোলার ইকোসিস্টেম উন্মোচন করল ওয়ালটন: সোলারে চলবে ফ্রিজ-এসি-টিভি

সপ্তাহের সবচেয়ে পঠিত

ফোনে সিগন্যাল না থাকলেও মেসেজ যাবে: স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবার আইফোনে!

সরাসরি মোবাইল অপারেটর হতে যাচ্ছে স্টারলিংক

বাংলাদেশের বাজারে অনার এক্স৭ই ও এক্স৬ই

বাংলাদেশের বাজারে অনার এক্স৭ই ও এক্স৬ই

যমুনা ফিউচার পার্ক

চোরাই আইফোন বিক্রির অভিযোগ যমুনা ফিউচার পার্কের ‘এপেল হট’র বিরুদ্ধে

চোরাই ফোন উদ্ধার করে বিপাকে পুলিশ

চোরাই ফোন উদ্ধার করে বিপাকে পুলিশ

ADVERTISEMENT

সর্বশেষ সংযোজন

৭ বছর সফটওয়্যার আপডেট পাবে যেসব অ্যান্ড্রয়েড ফোন
প্রযুক্তি সংবাদ

৭ বছর সফটওয়্যার আপডেট পাবে যেসব অ্যান্ড্রয়েড ফোন

স্মার্টফোন কেনার সময় এখন শুধু ক্যামেরা, প্রসেসর বা...

বান্দরবানে দুই রাতের ট্র্যাকিং শেষে রিয়েলমি সি১০০-তে ৪০% চার্জ অবশিষ্ট

বান্দরবানে দুই রাতের ট্র্যাকিং শেষে রিয়েলমি সি১০০-তে ৪০% চার্জ অবশিষ্ট

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

কার্টআপের মাধ্যমে অনলাইনে কেনা যাবে রিয়েলমির স্মার্টফোন ও প্রযুক্তি পণ্য

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ উন্মোচিত

যেসব স্যামসাং গ্যালাক্সি ফোনে আসতে পারে অ্যান্ড্রয়েড ১৭ আপডেট

মাসের সবচেয়ে পঠিত

২০২৬ সালে ফটোগ্রাফির জন্য সেরা ৭ ক্যামেরা ফোন

২০২৬ সালে ফটোগ্রাফির জন্য সেরা ৭ ক্যামেরা ফোন

ভিভো ওয়াই৩২: আসছে ৮০০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে

ভিভো ওয়াই৩২: আসছে ৮০০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে

২০২৬ সালে টেকনোর সেরা ৫ ফোন, দাম ও স্পেসিফিকেশন

২০২৬ সালে টেকনোর সেরা ৫ ফোন, দাম ও স্পেসিফিকেশন

ফোনে সিগন্যাল না থাকলেও মেসেজ যাবে: স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি এবার আইফোনে!

সরাসরি মোবাইল অপারেটর হতে যাচ্ছে স্টারলিংক

ADVERTISEMENT
Facebook Twitter Instagram Youtube
Techzoom.TV

টেকজুম প্রথম বাংলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক ২৪/৭ মাল্টিমিডয়া পোর্টাল। প্রায় ১৫ বছর ধরে টেকজুম বিশ্বস্ত ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনা হিসেবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং ফিনটেক সংক্রান্ত নানা বিস্তৃত বিষয় কভার করেছে। এটি বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ডিজিটাল মিডিয়া প্রকাশনাটি। বিস্তারিত পড়ুন

সম্পাদক ও প্রকাশক:

মো. ওয়াশিকুর রহমান

অনুসরণ করুন

যোগাযোগ

নিউজরুম
+88017 98 07 99 88
+88016 23 844 776
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং
+88017 41 54 70 47
ই-মেইল: techzoom.tv@gmail.com

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix

30 September 2025

ডিজিটাল বিভাজন এবং এআই: সুযোগ ও বৈষম্যের নতুন বাস্তবতা

Techzoom.TV |
TechzoomTV
TechzoomTV
No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রযুক্তি সংবাদ
  • টেলিকম
  • অটো
  • ফিচার
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • কিভাবে করবেন
  • শিক্ষা ও ক্যাম্পাস
  • অর্থ ও বাণিজ্য

স্বত্ব © ২০২৪ টেকজুম | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed and Maintained by Team MediaTix