ইসরায়েলের আকাশসীমায় শোনা যাওয়া বিস্ফোরণের শব্দগুলো মূলত ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপশনের (Interception) ফলাফল। ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এর এই উত্তাল পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেট নিচে দেওয়া হলো:
তেহরানে ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলার (Operation Epic Fury) জবাবে ইরান অন্তত ৩০টি (কিছু সূত্রে ৫০০-এর বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ১০০০ ড্রোন) ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলের ‘অ্যারো-৩’ (Arrow-3) এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ (David’s Sling) ব্যবস্থাগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। আকাশে যে বিকট শব্দ শোনা গেছে, তার অধিকাংশই ছিল মাঝ-আকাশে ইরানি মিসাইল ধ্বংস করার শব্দ।
ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড পুরো দেশে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। সাইরেন বাজার পরপরই তেল আবিব এবং জেরুজালেমের আকাশে উজ্জ্বল আলোর ঝলকানি এবং প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। আইডিএফ (IDF) নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং সেগুলো ভূপাতিত করার চেষ্টা চলছে।
যদিও অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার খবর পাওয়া যাচ্ছে। নেগেভ মরুভূমি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের কিছু সামরিক ঘাঁটির আশেপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো সরকারিভাবে জানানো হয়নি।
ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা সব ধরনের বেসামরিক বিমানের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগোসহ আন্তর্জাতিক অনেক বিমান মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক জরুরি অবস্থায় জানিয়েছেন, তারা যেকোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।















