ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ইসরায়েল ও আমেরিকার ‘লায়ন’স রোর’ (Lion’s Roar) বা ‘এপিক ফিউরি’ (Epic Fury) নামক যৌথ সামরিক অভিযানের পর তেহরান থেকে চরম প্রতিশোধের ঘোষণা এসেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে আক্রমণকারীদের কঠিন পরিণতির কথা জানানো হয়েছে।
ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (X) দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বৈধ ও শক্তিশালী জবাব শত্রুকে তাদের এই বোকামিপূর্ণ কাজের জন্য অনুতপ্ত হতে বাধ্য করবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, ইরানের জনগণ ও কর্মকর্তারা এই অপরাধের সামনে নীরব থাকবে না।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (IRGC) ইতিমধ্যে তাদের পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। জানা গেছে যে:
ব্যালিস্টিক মিসাইল: ইরান থেকে ইতিমধ্যে কয়েক দফায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ইসরায়েলের উত্তর ও মধ্য অঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে।
মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: টিপস্টার এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত চারটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকেও (কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন) লক্ষ্যবস্তু করেছে।
তেহরানে খামেনির বাসভবনের নিকটবর্তী এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটলেও ইরানের গণমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে যে, সর্বোচ্চ নেতা নিরাপদ স্থানে রয়েছেন। তবে তার কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, “শত্রু পক্ষ যেন কঠোর শাস্তির জন্য অপেক্ষা করে।”
এই সংঘাতের জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং বাহরাইন সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ওমান সাগরে থাকা রুশ নৌবাহিনী এবং চীনের গোয়েন্দা সিস্টেমগুলো ইরানকে রিয়েল-টাইম ইন্টেলিজেন্স শেয়ার করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।





















