ইরানের কেয়ামত (Qiam-1) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা এবং এর সক্ষমতা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আবারও আলোচনায় এসেছে।
রাস্তাখিজ ও খোররামশাহর-৫ নামের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক টন ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে। কিছু সামরিক গণমাধ্যম রাস্তাখিজ ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে কিছু প্রাথমিক ধারণা দিয়েছেন, যেমন এটির দৈর্ঘ্য ১৪ মিটার, ওজন ২৭ টন। এতে দুই ধরণের প্রযুক্তির ওয়ারহেড রয়েছে।
কেয়ামত ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কে কিছু তথ্য:
সক্ষমতা: এটি একটি তরল-জ্বালানি চালিত স্বল্প-পাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (SRBM),এটিকে রাডার বা অন্য কোনো প্রযুক্তি দিয়ে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব। এই ক্ষেপণাস্ত্র বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে আঘাত হানতে পারে। এটি যুক্তরাষ্ট্রেও আঘাত হানতে সক্ষম।এর আগে খবর বেরিয়েছিল, ইরানের খোররামশাহর-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২ হাজার কিলোমিটার।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কেয়ামত ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো বাহ্যিক ‘ফিন’ বা পাখা নেই, যা একে রাডারে শনাক্ত করা কঠিন করে তোলে এবং উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করে।
ব্যবহারের ইতিহাস: ইরান এর আগে ২০২০ সালে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় এবং ২০২৪ সালের শুরুতে সিরিয়া ও ইরাকে জঙ্গি আস্তানায় হামলায় এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি: ২০২৬ সালের মার্চ মাসের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার পুনর্গঠন করেছে এবং প্রয়োজনে কেয়ামত ও খোররামশাহর-৫ এর মতো শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দিচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক টন ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম।





















