ইরানের আকাশপথ ছুঁড়ে বেরিয়ে গেল এক রহস্যময় আগুনের বল। সোশ্যাল মিডিয়ার পাতাজুড়ে ছড়িয়ে পড়লো সেই দৃশ্যের ঝলক। একপলকে কারও চোখে উল্কা, কারও কাছে অজানা ‘হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিক্যাল’। মধ্যরাত পেরোতেই প্রশ্ন— ইরান এবার কী দেখাল?
কৌতূহলের অবসান হলো দ্রুতই। জানা গেল, এটি কোনো উল্কা নয়, কোনো রহস্যময় যানও নয়— এটি ইরানের নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফাত্তাহ’। এর গতি শুনলে শিহরিত হতে হয়— শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি! ঘণ্টায় প্রায় ৭৬৭ মাইল গতির শব্দকেও ফেলে আসে ম্যাক ১৫ গতির এই ধ্বংসের তীর।
এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’র একাদশ ধাপের অংশ। লক্ষ্য একটাই— ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বুক চিরে ভেতরে ঢুকে পড়া। আর ইরান তা করেছে নিখুঁতভাবে।
কিন্তু আঘাত একমুখী নয়। জবাব দিতে দেরি করেনি ইসরায়েলও। পাল্টা হামলার আঘাতে ইরানের ভূখণ্ডের গভীরে সামরিক স্থাপনাগুলো কেঁপে উঠেছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের বোমায়।
প্রতিশোধ আর পাল্টা প্রতিশোধের এই অগ্নিকুণ্ড টানা অষ্টম দিনে ঢুকে পড়েছে আজ শুক্রবার।






















