ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। বাস, ট্রেন, লঞ্চ, মোটরসাইকেলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে।
ঘরমুখো যাত্রীদের অনেকে বলছেন, ঈদযাত্রায় তাদের প্রথম পছন্দ ট্রেন। তবে ট্রেনের টিকিটের বেশি চাহিদা থাকে। সে কারণে ট্রেনের টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে বাসে যেতে হয়।
যশোরে নিজ ভিটায় যেতে ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে সফটওয়্যারের তেলেসমাতিতে নিজের কিংকর্তব্যবিমুঢ় অবস্থার কথা জানিয়েছেন সফটওয়্যার প্রকৌশলী নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, টিকিট দেখানোর পর৷ সিলেক্ট করে পেমেন্ট করতে গেলেই হাওয়া হয়ে যায়।
অথচ গত ১৩ মার্চ ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছিলেন, আমরা মনে করছি ঈদে মানুষের স্বস্তির মাধ্যমে যাত্রাটা নিশ্চিত হবে। তবে অনলাইনে টিকিট কাটা থেকে শুরু করে যাত্রাপথের ভোগান্তির কথা জানাচ্ছেন যাত্রীরা।
১৬ মার্চ, সোমবার থেকেই রেলযাত্রা নিয়ে সোশ্যাল হ্যান্ডলে অস্বস্তির চিত্র তুলে ধরছেন নেটিজেনরা। এদেরই একজন এমডি তুহিন সারোয়ার। ‘ময়মনসিংহ ট্রেন কমিউনিটি’ গ্রুপে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘মাননীয় রেলমন্ত্রী, টিকিটধারী ব্যক্তিরাই ট্রেনে উঠতে পারছে না। আপনার রেল প্রশাসনের বেহাল অবস্থা। ট্রেনের ভেতরে বসা তো দূরের কথা, দাঁড়ানোর জায়গাও নেই।’
জনপ্রিয় ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে হেল্পলাইন’ গ্রুপে একটি কোচ বোঝাই মানুষের ছবি দিয়ে তানভীর আহমেদ রওনক লিখেছেন, ‘এমন অবস্থা হয়েছে—মানুষ তার সিট পর্যন্ত যেতে পারছে না।’
একই গ্রুপে আরএস সাগর আহমেদ জয়দেবপুর জংশন থেকে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আংশিক ভিড় নিয়ে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস জয়দেবপুর জংশন ছেড়ে গেছে।’ পোস্টের ছবিতে কোচের ছাদেও যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা যায়।
অবশ্য এজন্য রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছিলেন, ট্রেনে প্রায় ১২৪টি কোচ মিটারগেজে যুক্ত করেছি। আরও প্রায় ১৪টি ব্রডগেজ কোচ যুক্ত করা হয়েছে। আমাদের যে সক্ষমতা আছে, তাতে ৩৬ থেকে ৪২ হাজার মানুষকে এই সেবা দিতে পারব। শেষ মুহূর্তে কিছু চাপ হয়, অনেকে যেকোনো মূল্যে ট্রেনে উঠতে চান—আমরা তা নিবৃত করার চেষ্টা করছি। ওঠার সব ব্যবস্থা বন্ধ করছি।





















