স্মার্টফোনে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল দুর্বল থাকলে বা একদম না থাকলেও ওয়াই-ফাই কলিং (Wi-Fi Calling) ফিচার ব্যবহার করে স্বচ্ছন্দে কথা বলা সম্ভব। বাংলাদেশে বর্তমানে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটরগুলো (যেমন: গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল) এই সুবিধা দিচ্ছে।
নিচে ধাপে ধাপে এটি সেট-আপ করার উপায় দেওয়া হলো:
১. ফোনের সেটিংস থেকে সক্রিয় করা (Android ও iPhone)
অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য:
ফোনের Settings-এ যান।
Connections বা Mobile Network অপশনে ক্লিক করুন।
সেখানে Wi-Fi Calling অপশনটি খুঁজে বের করুন।
টগল বাটনটি On করে দিন। (মডেলভেদে এটি ‘Sim card settings’-এর ভেতরেও থাকতে পারে)
আইফোন (iPhone) ইউজারদের জন্য:
ফোনের Settings-এ যান।
নিচে স্ক্রল করে Phone অপশনে ক্লিক করুন।
সেখান থেকে Wi-Fi Calling অপশনে গিয়ে Wi-Fi Calling on This iPhone বাটনটি অন করে দিন।
২. অপারেটরের পক্ষ থেকে সক্রিয় করা
ওয়াই-ফাই কলিং ব্যবহারের জন্য শুধুমাত্র ফোনের সেটিং অন করলেই হবে না, আপনার সিম কার্ডেও এটি সক্রিয় থাকতে হবে।
আপনার অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার বা কোড ডায়াল করে জেনে নিন আপনার সিমে ভোল্টি (VoLTE) বা ওয়াই-ফাই কলিং সার্ভিসটি চালু আছে কি না।
সাধারণত VoLTE চালু থাকলে ওয়াই-ফাই কলিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
৩. যেভাবে কল করবেন
সেটিংস অন করার পর আপনার ফোনটি একটি শক্তিশালী ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট করুন।
ফোনের স্ট্যাটাস বারে (যেখানে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল দেখায়) “Wi-Fi” বা “VoWiFi” লেখাটি দেখতে পাবেন।
এখন সাধারণ কলের মতোই কন্টাক্ট লিস্ট থেকে নম্বর ডায়াল করলেই কল চলে যাবে। এক্ষেত্রে আপনার সাধারণ কল রেট বা টকটাইম থেকেই মিনিট কাটা হবে।
ওয়াই-ফাই কলিংয়ের সুবিধা:
ইনডোর কভারেজ: লিফট, বেসমেন্ট বা ঘন দেয়ালযুক্ত রুমে যেখানে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না, সেখানে এটি আশীর্বাদস্বরূপ।
ব্যাটারি সাশ্রয়: দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে ফোন বারবার সিগন্যাল খোঁজে, ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। ওয়াই-ফাই কলিং ব্যবহার করলে ব্যাটারি খরচ কম হয়।
উন্নত সাউন্ড: সাধারণ কলিংয়ের চেয়ে ওয়াই-ফাই কলিংয়ে সাউন্ড অনেক বেশি ক্লিয়ার বা এইচডি (HD) কোয়ালিটির হয়।






















