প্যানিক বায়িং’-এর কারণে পাম্পগুলোতে তৈরি হওয়া বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, তখন ওয়েব ভিত্তিক অ্যাপ নিয়ে নাগরিক ভোগান্তি কমাতে ‘তেল কই’ অ্যাপ বানিয়ে আশা জাগায় জেন-জি প্রজন্মের এক ডেটা এনকলিটিক্স।
অ্যাপ চালুর দুই দিনের মাথায় দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেন সিএসই গ্র্যাজুয়েট সজিব খান। তিন দিনের মাথায় অ্যপটির ইউনিক ব্যবহারকারি ছাড়িয়ে যায় ১০ হাজারের বেশি। একসঙ্গে গড়ে ৫০০ এর বেশি ব্যবহারকারি ব্যবহার করতে থাকেন অ্যাপটি।
আর চতুর্থ দিনের মাথার ভার্সেল এর ফ্রি সার্ভার লিমিট অতিক্রম করে। ১০ লাখের বেশি হিট হচ্ছে। ফলে অ্যাপটি সচল রাখতে গলদঘর্ম হয়ে পড়েছেন ডভেলপার সজিব খান।

নতুন আপডেট বিষয়ে জানালেন: তেল কই অ্যাপের নির্ভরযোগ্যতা এখন সবচেয়ে আগে! তাই সব রিপোর্ট ১০০% সঠিক রাখতে আমরা নিয়ে এসেছি লাইভ জিপিএস ভেরিফিকেশন সিস্টেম। ফলে যাচাইকৃত রিপোর্ট: পাম্পের ১ কিমি-এর মধ্যে থাকা রিপোর্টগুলোতে এখন সবুজ “যাচাইকৃত” ব্যাজ দেখা যাবে।।রিপোর্টার পাম্প থেকে কত মিটারে (যেমন: ৩৫০মি) দাঁড়িয়ে রিপোর্ট দিয়েছেন তা এখন সরাসরি দেখা যাবে।রিপোর্ট ফর্ম ওপেন করলেই জিপিএস ব্যাকগ্রাউন্ডে রেডি হয়ে যাবে, ফলে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত। ফেক রিপোর্ট প্রতিরোধ: সব রিপোর্ট এখন সরাসরি সার্ভারের মাধ্যমে ভেরিফাই হবে, ফলে কেউ পাম্পে না গিয়ে ফেক বা ভুল তথ্য দিতে পারবে না।





















