ফ্লিপ ফোন প্রেমীদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মটোরোলা তাদের পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোল্ডেবল স্মার্টফোন মটোরোলা রেজর ৭০ আল্ট্রা লঞ্চ করার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসেই ফোনটি বিশ্ববাজারে উন্মোচন হতে পারে। আধুনিক এআই ফিচার এবং হার্ডওয়্যার আপগ্রেড নিয়ে আসা এই ফোনটি সরাসরি স্যামসাংয়ের আসন্ন ফ্লিপ সিরিজের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
ডিজাইন ও ডিসপ্লে: ৪ ইঞ্চির বিশাল কভার স্ক্রিন
মটোরোলা তাদের নতুন এই মডেলে ডিসপ্লে সেকশনে বড় চমক রাখছে:
ইনার ডিসপ্লে: ফোনটি খুললে পাওয়া যাবে ৭ ইঞ্চির LTPO AMOLED ফোল্ডেবল স্ক্রিন, যা ১৬৫ হার্টজ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে।
কভার ডিসপ্লে: এই ফোনের অন্যতম আকর্ষণ হলো এর ৪ ইঞ্চির বড় কভার ডিসপ্লে। আগের মডেলের তুলনায় এটি আরও কার্যকর হবে, ফলে ফোন না খুলেই মেসেজিং, মিউজিক কন্ট্রোল এবং ম্যাপ ব্যবহার করা অনেক সহজ হবে।
বিশেষ ফিচার: ‘Moto AI’ বাটন
ডিজাইনে বড় পরিবর্তন হিসেবে এবার ফোনের বাম পাশে একটি ডেডিকেটেড Moto AI বাটন যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এক ক্লিকেই গুগলের জেমিনাই (Gemini) বা মটোরোলার নিজস্ব এআই ফিচারের অ্যাক্সেস পাওয়া যাবে। এছাড়া এটি আগের মডেলের চেয়ে সামান্য বেশি পুরু (৭.৮ মিমি) হতে পারে, যার কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে এতে বড় ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।
ক্যামেরা ও পারফরম্যান্স
প্রসেসর: ফোনটিতে কোয়ালকমের ফ্ল্যাগশিপ Snapdragon 8 Elite (Snapdragon 8 Gen 4) চিপসেট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
ক্যামেরা: লিক হওয়া তথ্য অনুযায়ী, এতে ট্রিপল ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা সেটআপ থাকতে পারে। তবে কোনো কোনো সোর্স বলছে, এবার মেইন সেন্সর হিসেবে ২০০ মেগাপিক্সেল লেন্সও দেখা যেতে পারে।
ব্যাটারি ও চার্জিং: ধারণা করা হচ্ছে এতে ৪,৭০০ mAh বা তার চেয়ে বড় ব্যাটারি দেওয়া হবে, যা ৬৮ ওয়াট ফাস্ট ওয়্যারড চার্জিং এবং ৩০ ওয়াট ওয়ারলেস চার্জিং সাপোর্ট করবে।
দাম ও প্রাপ্যতা
ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে এর দাম প্রায় ১,২৯৯ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১.৫ লাখ টাকার বেশি) হতে পারে। বাংলাদেশে অফিসিয়ালি রিলিজ হলে এর দাম ১.৬০ লাখ টাকার আশেপাশে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।



















