২০২২ সালের পর তৈরি হওয়া নতুন ওয়েবসাইটগুলোর প্রায় এক-তৃতীয়াংশই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে বলে এমন তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণায়।
ইন্টারনেট আর্কাইভের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা এই গবেষণাকে ইন্টারনেটের ইতিহাসে অন্যতম দ্রুত পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
‘দ্য ইমপ্যাক্ট অব এআই জেনারেটেড টেক্সট অন দ্য ইন্টারনেট’ শীর্ষক এই গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং ইন্টারনেট আর্কাইভের গবেষকেরা।
গবেষণায় বলা হয়, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে নতুন প্রকাশিত ওয়েবসাইটগুলোর প্রায় ৩৫ শতাংশই এআই-জেনারেটেড বা এআই-সহায়তায় তৈরি। ২০২২ সালের শেষ দিকে চ্যাটজিপিটি চালুর আগে এই হার প্রায় শূন্য ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষকরা এআই-নির্ভর কনটেন্ট নিয়ে বহুল আলোচিত ছয়টি ধারণা যাচাই করেন। এর মধ্যে দেখা যায়, সব ধারণা সঠিক না হলেও কিছু বিষয়ে প্রভাব স্পষ্ট।
ফলাফলে বলা হয়েছে, এআই কনটেন্টের কারণে ইন্টারনেটের বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য কিছুটা কমে যেতে পারে এবং লেখার ধরন তুলনামূলকভাবে বেশি ইতিবাচক হয়ে উঠছে। তবে আশঙ্কার বিপরীতে ভুয়া তথ্যের পরিমাণ বাড়েনি এবং তথ্যসূত্র উল্লেখের হারও কমেনি।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, এটি একটি স্থির প্রতিবেদন নয়। ভবিষ্যতে তারা এটি ইন্টারনেট আর্কাইভের সঙ্গে যৌথভাবে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ টুল হিসেবে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছেন। এছাড়া বিভিন্ন ভাষা ও ওয়েবসাইটে এআইয়ের প্রভাব নিয়ে আরও বিস্তারিত বিশ্লেষণ যুক্ত করা হবে।




















