বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা মানে এতদিন ছিল ডাক্তারের চেম্বার, লম্বা লাইন, আর রিপোর্টের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা। সেই চিত্রটা ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। প্রযুক্তি এখন সেই জায়গায় ঢুকছে যেখানে আগে শুধু হাসপাতালই ছিল একমাত্র ভরসা।
বাংলাদেশে টেলিমেডিসিন আর ঘরে বসে স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রবণতা যত বাড়ছে, TETON Private Ltd. ঠিক সেই সময়ে myECGai মনিটর নিয়ে আসছে, যেটা সাধারণ মানুষের নাগালে।
বড় বিপদের আগে হৃদস্পন্দনে সূক্ষ্ম পরিবর্তন আসে, যা নিজে থেকে বোঝা কঠিন। TETON এর myECGai দিয়ে এখন ৩০ সেকেন্ডেই ঘরে বসে সেটা ধরা যাচ্ছে।
ডা. মির্জা শামীম – স্পেশালিস্ট – কার্ডিয়াক অ্যানেসথেসিয়া * আইসিইউ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড। “আমি টিটন বাংলাদেশে এসে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন দেখেছি, তাদের যে ইসিজিটা আমরা ট্র্যাডিশনাল ইসিজিতে যে গ্রাফ থাকে, আলমোস্ট কুইট সেইম। আমি আশা করি এটা খুবই হেল্পফুল হবে।”
শুধু একটা পণ্য না, একটা দৃষ্টিভঙ্গি
TETON-এর পেছনে আছে Silicon Valley-র ১৩০ বছরের বেশি সম্মিলিত অভিজ্ঞতা আর ২০টির বেশি আন্তর্জাতিক পেটেন্ট। কিন্তু তাদের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তি বানানো না, বরং সেই প্রযুক্তিকে এমনভাবে তৈরি করা যেন একজন সাধারণ মানুষও সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় কেন এটা জরুরি
দেশে হৃদরোগীর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পৌঁছানো সবার জন্য সহজ না। ঢাকার বাইরে অনেক জায়গায় কার্ডিওলজিস্ট নেই। myECGai সেই শূন্যস্থান পূরণ করছে, হাতের মুঠোয় AI-চালিত হার্ট রিডিং দিয়ে।
স্থানীয় সাপোর্ট যেটা আসলেই কাজ করে
বিদেশি ব্র্যান্ডের ডিভাইস কিনলে সমস্যা হলে সাহায্য পাওয়া কঠিন। TETON-এর অফিস ঢাকায়, ফোন আর ইমেইলে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট সব জায়গায় ডেলিভারি দেওয়া হয়।
পরিবর্তনটা শুরু হয়েছে TETON শুধু একটা ECG ডিভাইস বিক্রি করছে না। তারা মানুষকে নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সচেতন আর স্বাবলম্বী করতে চাইছে। হাসপাতালে না গিয়েও হার্টের খবর রাখা এখন সম্ভব, আর সেটা শুরু হচ্ছে ঘরের ভেতর থেকেই।


















