বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাপন ও নগরজীবনের নানা মুহূর্তকে স্মার্টফোন ক্যামেরায় তুলে ধরার লক্ষ্যে পাঠশালার সঙ্গে ‘অপো রেনো১৫ সিরিজ প্রেজেন্টস ফটোগ্রাফি কনটেস্ট’ আয়োজন করেছে অপো বাংলাদেশ।
প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফটোগ্রাফারদের তোলা ছবিতে উঠে এসেছে ফসল ঘরে তোলার আনন্দ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি, কম আলোয় প্রকৃতির সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য, মানুষের আবেগ, স্ট্রিট ফটোগ্রাফি এবং স্থাপত্যের নানা দৃশ্য।
আয়োজকদের ভাষ্য, স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ মুহূর্তকে কীভাবে ভিজ্যুয়াল গল্পে পরিণত করা যায়, প্রতিযোগিতার ছবিগুলোতে তার প্রতিফলন ঘটেছে।
বিচারক প্যানেলের মূল্যায়নে প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড উইনার হয়েছেন মুহাম্মদ আমদাদ হোসেন। পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ টাকা নগদ, একটি অপো রেনো১৫ এফ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং এবং একটি বিশেষ মুহূর্ত ধারণের দক্ষতার জন্য তাঁর ছবিটি বিচারকদের নজর কাড়ে।
এলিট উইনার হয়েছেন মো. এনামুল কবির। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
মাস্টার উইনার হিসেবে নির্বাচিত সৌম্যেন রেজাউল পেয়েছেন ৩০ হাজার টাকা, একটি অপো এ৬এস প্রো এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
এ ছাড়া পাঁচটি বিভাগে বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে। হেরিটেজ অ্যান্ড কালচার বিভাগে মো. রকিবুল হাসান, লো লাইট বিভাগে আশরাফুল সরকার কিবরিয়া, নেচার অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ বিভাগে সালাহউদ্দিন আহমেদ, পোর্ট্রেট বিভাগে মো. হারুনর রশিদ এবং স্ট্রিট অ্যান্ড আর্কিটেকচার বিভাগে সিরাজাম মনির বিজয়ী হয়েছেন।
প্রতিটি বিভাগীয় বিজয়ী পেয়েছেন ২০ হাজার টাকা নগদ, একটি অপো এ৬ এবং পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স। পাশাপাশি আতিকুর রহমান পেয়েছেন অনারেবল মেনশন পুরস্কার। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার টাকা নগদ ও পাঠশালার একটি ফটোগ্রাফি কোর্স।
অপো বাংলাদেশের অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, বাংলাদেশ গল্প, অনুভূতি, ঐতিহ্য ও সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ। বাংলাদেশি ফটোগ্রাফারদের চোখে এসব মুহূর্ত দেখাই ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীলতা ও অনুভূতি তাদের অনুপ্রাণিত করেছে। প্রযুক্তি মানুষকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ এবং অর্থবহ মুহূর্ত ধারণের সুযোগ করে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অপোর ভাষ্য, পাঠশালার সঙ্গে এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফটোগ্রাফারদের সৃজনশীলতা তুলে ধরার পাশাপাশি স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বাংলাদেশের সৌন্দর্য ও মানুষের জীবনের গল্প ধারণে উৎসাহ তৈরি করাই ছিল মূল লক্ষ্য।




















