পাঞ্চিং মেশিনের ধীরগতির ভোগান্তি দূর করতে দ্রুতই মেট্রোরেল টিকেটিং ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হচ্ছে নতুন ইউনিভার্সেল টিকিটিং সিস্টেম (ইউটিএস)। এই পদ্ধতিতে কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ করতে পারবেন যাত্রীরা।
তবে এ জন্য মোট্রো যাত্রীদের অন্তত ছয় মাস অপেক্ষা করতে হবে। তবে নতুন এই সেবা চালুর পরও বর্তমানে চালু থাকা র্যাপিড ও এমআরটি পাস এবং একক যাত্রার কার্ডও কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক এ কে এম খায়রুল আলম জানিয়েছেন, নানা কারণে বিভিন্ন সময় ভেন্ডিং মেশিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। তবে সেটি দ্রুত সমাধানের জন্য তাদের লোকবল আছে এবং তারা নিয়মিত কাজ করে। তারপরও যাত্রীদের সেবাকে আরো প্রাণবন্ত করতেমেট্রোরেলের টিকিট সহজ করতেও ইউটিএস নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
সূত্রমতে, নতুন ব্যবস্থায় ভাড়া আদায়ের জন্য মেট্রোরেল স্টেশনগুলোয় নতুন কিছু যন্ত্র বসানো হবে। সেগুলোতে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড পাঞ্চ করে ভাড়া দেওয়া যাবে।
ডিটিসিএ সূত্র জানায়, গত জানুয়ারি মাসে প্রাইম পাওয়ার সলিউশন নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ র্যাপিড পাস সরবরাহের দায়িত্ব দেয় ডিটিসিএ। তারা ইন্দোনেশিয়া থেকে কার্ড আমদানি করে ডিটিসিএকে দেয়। আগামী মাসের মধ্যে তাদের সব কার্ড সরবরাহের কথা। তবে এখন পর্যন্ত মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ ১ লাখ ১৮ হাজার র্যাপিড পাস পেয়েছে। তাও কয়েক কিস্তিতে অল্প অল্প করে কার্ড দেওয়া হয়েছে। ফলে তিন-চার মাস ধরে চাহিদামতো র্যাপিড পাস পাচ্ছেন না যাত্রীরা। ফলে বিকল্প আরো প্রযুক্তি সেবা নিয়ে কাজ করছে এমআরটি কর্তৃপক্ষ।






















