হুয়াওয়েকে দেওয়া টেলিযোগাযোগ খাতের “ফাইভ-জি রেডিনেস” নামক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও সম্ভাব্য দুর্নীতির অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন করা হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার অভাবে প্রকল্পটি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফায়েজ আহমেদ তৈয়ব একটি ডিও লেটার ইস্যু করেন, যা প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পক্ষকে প্রাধান্য দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও সংস্থার মধ্যে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সুনাম রক্ষায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য দুদকের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অভিযোগকারী ৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত চিঠিতে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা, প্রক্রিয়ার বৈধতা এবং ডিও লেটারের প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টেলিযোগাযোগ খাতের প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি (বিটিসিএল) কর্তৃক গৃহীত হুয়াওয়েকে দেওয়া ফাইভজি রেডিনেস প্রকল্প।
প্রায় ৩২৬ কোটি টাকার এ প্রকল্পের কাজের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়েকে নিয়োগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সাবেক মন্ত্রী ও সচিবের মধ্যে দ্বন্দ এবং হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। এক পর্যায়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আভ্যন্তরীণ একটি বৈঠকে প্রকল্পের টেন্ডার বাতিল করে নতুন করে টেন্ডার আহ্বানের সিদ্ধান্ত দেন সেই সময় দায়িত্ব পালনকারী সাবেক মন্ত্রী।





















