২০১০-১৫ সালের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে একটি পরিচিত নাম ‘পোক’। এক দশক আগেও ফিচারটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। এর মাধ্যমে সহজেই বন্ধুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেত। মূলত ফেসবুকে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করা কিংবা সরাসরি যোগাযোগ ছাড়াও সংযুক্ত থাকতে পোক করা হতো। সম্প্রতি তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে আবারও এর ব্যবহার বেড়েছে। তাই ‘পোক’-কে প্লাটফর্মের আরও দৃশ্যমান ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পুনরায় তুলে ধরতে কাজ করছে ফেসবুক।
ফেসবুকের প্যারেন্ট কোম্পানি মেটার তথ্যানুযায়ী, ব্যবহারকারীরা একটি নতুন ও বিশেষ বাটনের মাধ্যমে সরাসরি নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে বন্ধুদের পোক করতে পারবেন। পোক পাওয়া বন্ধুদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তা জানানো হবে। এছাড়া ব্যবহারকারীরা দেখতে পারবেন কে তাদের পোক করেছে এবং facebook.com/pokes পেজে বন্ধুদের খুঁজে পোক করতে পারবেন। পাশাপাশি একে অন্যকে করা পোকের সংখ্যা দেখা যাবে। কেউ চাইলে পোকটি উপেক্ষা করতেও পারবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেসবুকের পোক ফিচারটি মূলত তরুণ ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা সোশ্যাল অ্যাপে গেমিফিকেশন (গেমের মতো মজাদার ও আকর্ষণীয়) ফিচারের সঙ্গে বড় হয়েছে, যেমন—স্ন্যাপচ্যাট বা টিকটকের ‘স্ট্রিকস’। তবে স্ট্রিকসের ‘আসক্তিকর’ প্রকৃতির কারণে কিছু ক্ষেত্রে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। কারণ এসব ফিচারের কারণে শিশুরা বারবার অ্যাপ ব্যবহার করে এবং তা এক সময় আসক্তিতে রূপ নেয়। ফেসবুকের পোক ফিচারও গেমিফিকেশন ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
জানা যায়, গত বছর থেকেই পোক ফিচারটি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছে মেটা। ২০২৪ সালের মার্চে কোম্পানিটি জানিয়েছিল, সার্চের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই পোকিং পেজ খুঁজে পাবে এবং বন্ধুদের পোক করা আরও সহজ হবে। এ ছোট পরিবর্তনের পরপরই পরবর্তী মাসে পোকের ব্যবহার ১৩ গুণ বেড়ে গিয়েছিল বলে জানায় মেটা।





















