যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার বিরুদ্ধে একচেটিয়া বাণিজ্যবিরোধী আইন ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে চীন। দেশটির শীর্ষ বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এনভিডিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে তারা কীভাবে আইন ভঙ্গ করেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এনভিডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা সব দিক থেকেই চীনের আইন মেনে চলছে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
সোমবার স্পেনের মাদ্রিদে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ পর্যায়ের বাণিজ্য বৈঠকের দ্বিতীয় দিনে এ ঘোষণা আসে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও চীনের ভাইস প্রিমিয়ার হে লিফেং নেতৃত্ব দেন। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা কমানোই ছিল এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য।
বৈঠক শেষে স্কট বেসেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনাটি ‘খুব ভালো’ হয়েছে এবং এক মাস পর আবারও বৈঠক হবে। তিনি জানান, আলোচনায় টিকটকের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি আপাতত কেটে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য সমাধান পাওয়া গেছে এবং আগামী শুক্রবার তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে কথা বলবেন।
এ বছরের জুলাইয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিং শুল্কবিরতি আরো ৯০ দিনের জন্য বাড়ানোর একটি চুক্তি করে, যা ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে। এতে দুই দেশের মধ্যে পণ্যে উচ্চমাত্রার আমদানি কর কমে আসে।
চীনের এনভিডিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তকে সেমিকন্ডাক্টর বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে উন্নতমানের চিপ চীনে রফতানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। অন্যদিকে বেইজিংও পর্যালোচনা করছে, কোনো বিদেশী চিপ তাদের বাজারে প্রবেশের অনুমতি পাবে।
প্রায় ১৭ কোটি মার্কিন ব্যবহারকারী থাকা সত্ত্বেও টিকটক যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হওয়ার মুখে পড়েছিল। তবে প্রথম মেয়াদে নিষেধাজ্ঞার দাবি তুললেও ট্রাম্প এরইমধ্যে তিনবার সেই সময়সীমা পিছিয়েছেন। গত আগস্টে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে টিকটকের একটি আনুষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টও চালু করা হয়।






















