কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে গ্র্যান্ড থেফট অটোর (জিটিএ) মতো গেম বানানো কখনই সম্ভব না বলে মন্তব্য করেছেন টেক-টু সিইও স্ট্রাউস জেলনিক। চ্যাটবটের সহায়তায় ভিডিও গেম তৈরির প্রসঙ্গে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেন তিনি। খবর ইন্ডিয়া টুডে।
স্ট্রাউস জেলনিক, ‘একটা জিনিস স্পষ্ট, জিটিএর সৃজনশীলতাকে এআই কখনো প্রতিস্থাপন করতে পারবে না।’
বিনোদন ও গেমিং জগতে এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে এআই। চলতি মাসের শুরুতে গ্রোক চ্যাটবটকে ভিডিও গেম বানানো শেখাতে লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিয়েছে ইলোন মাস্কের এক্সএআই। গেম মেকানিকস, ডিজাইন, গল্প বলার কৌশল ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা বিষয়ে এআই সিস্টেমকে প্রশিক্ষণ দিতে কাজ করবেন এসব ‘ভিডিও গেম টিউটর’।
তবে জেলনিকের মতে, জিটিএর জগৎ মানুষের সৃজনশীলতা দিয়েই নির্মাণ করতে হবে।
জিটিএর প্রকাশক রকস্টার গেমসের প্যারেন্ট কোম্পানি টেক-টুর সিইও জানান, ভিডিও গেম বানানো একটি সৃজনশীল ও যত্নশীল প্রক্রিয়া। এর মূল লক্ষ্য থাকে নতুন ধারণা তৈরি এবং অন্য গেমের অনুকরণ বা পুনরাবৃত্তি এড়ানো।
তিনি বলেন, ‘গেমের সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো স্বাতন্ত্র্য। এ কারণেই আমি এআই নিয়ে উদ্বিগ্ন নই, কারণ এটি আগের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি অতীতমুখী। গেম তৈরিতে সামনের কথা ভাবতে হয়।’
জেলনিকের মতে, বড় সফলতাগুলো ভবিষ্যৎমুখী, তাই এগুলো শূন্য থেকে তৈরি করতে হয়।
তিনি জানান, তার দলের সেরা নির্মাতাদের নিজস্ব আগ্রহ ও সৃজনশীলতা অনুযায়ী কাজ করতে উৎসাহিত করা হয়, যা নতুন এবং মজাদার গেমের অভিজ্ঞতা তৈরি করে। কিন্তু এআই কখনো মানুষের এ ধরনের সৃজনশীল আবেগ এবং স্বতন্ত্র চিন্তা অনুকরণ করতে পারবে না।
জিটিএ ফাইভ উন্মোচিত হওয়ার প্রায় ১৩ বছর পর ২০২৬ সালের ২৬ মে প্রকাশ পেতে যাচ্ছে এর পরবর্তী সংস্করণ জিটিএ ৬। প্রথমে এটি প্লে-স্টেশন ফাইভ ও এক্সবক্স সিরিজ এক্স/এস-এ পাওয়া যাবে। পরে এর পিসি সংস্করণ প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে রকস্টার।






















