শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবৈধ পথে আসা বিপুল সংখ্যক মোবাইল হ্যান্ডসেট আটকের ঘটনার পরে সারাদেশে মোবাইল ফোন বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীদের একটি অংশ। যদিও এই প্রতিবাদকে অবৈধ মোবাইল ফোনের সিন্ডিকেটের চাপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
অভিযোগ উঠেছে, এই সিন্ডিকেটের মূল হোতারা দোকান বন্ধ রাখলেও, তারা অনলাইনে সক্রিয়ভাবে ফোন বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছেন।
ব্যবসায়ীদের এই হঠাৎ ধর্মঘটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় ও ছোট ব্যবসায়ী, গেজেট ব্যবসায়ী এবং সার্ভিস সেন্টারের উদ্যোক্তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা: যারা বৈধভাবে ছোট আকারের গ্যাজেট ও মোবাইল ব্যবসা চালান, তাদের দোকান বন্ধ থাকায় তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সার্ভিসিং সেন্টার: মোবাইল বিক্রি বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা সার্ভিসিং বা আনুষাঙ্গিক কাজের জন্য দোকানে যেতে পারছেন না, ফলে সার্ভিস সেন্টারের উদ্যোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সূত্রমতে জানা যায়, অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানির সঙ্গে যুক্ত বড় সিন্ডিকেটগুলোই মূলত এই ধর্মঘটের ইন্ধন দিচ্ছে।
১. এনইআইআর আতঙ্ক: সরকার আগামী ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে এনইআইআর (NEIR) কার্যকর করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার আগে এই ধরনের প্রতিবাদ সৃষ্টি করে সরকারকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
২. অনলাইনে তৎপরতা: মূল হোতারা নিজেদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে এই প্রতিবাদের নাটক করলেও, তারা তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা গোপন চ্যানেল ব্যবহার করে অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে তারা সরকারকে চাপ সৃষ্টি করার পাশাপাশি গোপনে নিজেদের ব্যবসা চালু রাখার দ্বৈত কৌশল অবলম্বন করছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অবৈধ ব্যবসার সিন্ডিকেটকে প্রতিহত করে বৈধ বাজার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং এনইআইআর-এর মতো উদ্যোগ সফল করতে এই ধরনের চাপ মোকাবিলা করা সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি।






















