রাজধানীতে নিজেদের প্রধান কার্যালয়ে নতুন একটি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গ্রাহকদের জন্য যাতে একটি স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক পরিবেশ, সহমর্মিতাপূর্ণ সেবা ও নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করা যায়, সে ভাবেই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।
নতুন এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারটি বাংলালিংকের সেবামুখী দর্শনের উপর গড়ে ওঠা ‘পিপল-ফার্স্ট’ নীতির প্রতিফলন। এখানে গ্রাহকেরা সহজে বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন। নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তাও পাবেন। একই সঙ্গে আরও স্বস্তিদায়ক ও গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো পরিবেশে বাংলালিংকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন।
রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেন–এ গত ৯ মার্চ এ এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়োহান বুসে। এ সময় কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
‘স্যাংকচুয়ারি’ বা শান্ত ও স্বস্তিদায়ক আশ্রয়স্থলের ধারণা থেকে এই সেন্টারের নকশা করা হয়েছে। প্রচলিত টেলিযোগাযোগ সেবা কেন্দ্রের ধরন থেকে বেরিয়ে গ্রাহকসেবায় ভিন্ন অভিজ্ঞতা দিতেই এটি সাজানো হয়েছে। এখানে প্রচলিত সার্ভিস কাউন্টার নেই। বরং খোলামেলা ও আরামদায়ক পরিবেশ রাখা হয়েছে। এতে গ্রাহকেরা সহজেই বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন, প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারবেন এবং গ্রাহকসেবা প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারবেন।
গ্রাহকসেবা আরও সহজ করতে এখানে কয়েকটি নতুন সুবিধা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আছে সাইড–বাই–সাইড সাপোর্ট ব্যবস্থা। এতে সেবাকর্মীরা গ্রাহকের পাশে বসে সরাসরি সহায়তা দিতে পারবেন।
এ ছাড়া রয়েছে আলাদা ডিজিটাল এক্সপ্লোরেশন স্পেস। এখানে দর্শনার্থীরা বাংলালিংকের বিভিন্ন অ্যাপ, সেবা ও ডিজিটাল সুবিধা সম্পর্কে জানতে পারবেন। দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে ফাস্ট–ট্র্যাক সহায়তা। পাশাপাশি আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা ও একটি রিফ্রেশমেন্ট কর্নারও রয়েছে। এতে দর্শনার্থীদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “আমাদের কাছে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতিটি যোগাযোগ মানেই তাদের প্রতি আমাদের যত্নশীল হওয়ার সুযোগ। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের মাধ্যমে আমরা এমন একটি স্থান তৈরি করেছি, যেখানে গ্রাহকেরা স্বাচ্ছন্দ্যে প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা পাবেন। এটি কেবল সেবাকেন্দ্র নয়; এখানে গ্রাহকেরা আমাদের সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং একটি সম্মানজনক পরিবেশে নিজেদের প্রয়োজনগুলো তুলে ধরতে পারবেন। আমাদের ধারণা পরিষ্কার—এটি ‘গ্রাহক বনাম আমরা’ নয়, বরং আমরা ও গ্রাহক একযোগে সমাধানের পথ খুঁজি।





















