ইসরায়েলের ওপর দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে ইসরায়েলজুড়ে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র তথা বাংকারে অবস্থান নিয়েও স্বস্তি পাচ্ছে না ইহুদিবাদীরা।
একই সঙ্গে ও অধিকৃত পশ্চিম তীরেও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেননা, সেখানে হোম ফ্রন্ট অ্যালার্ট সিস্টেম, বিমান হামলার অ্যালার্ম, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র নেই।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরান রোববার রাতের প্রথম অংশে ইসরায়েলে খুব বেশি আক্রমণ না করলেও সোমবার সকাল থেকে ভারী বোমাবর্ষণ শুরু করেছে। বিভিন্ন এলাকায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। যদিও নির্ধারণ করা কঠিন যে, বিস্ফোরণের শব্দগুলো প্রতিরোধের কারণে নাকি কিছু ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে হচ্ছে।
এদিকে, রোববার পশ্চিম জেরুজালেমের কাছে ইসরায়েলি শহর বেইত শেমেশে একটি সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্রে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে। এতে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্তত নয়জন নিহতের খবর জানা গেছে। আহত হয়েছে আরও অনেকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত জুনে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের তুলনায় এখন আরও বেশি ইসরায়েলিকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। যদিও পূর্ববর্তী সংঘাতের সময়ের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ততটা বেশি না, তবুও ইসরায়েলিদের মাঝে মাঝে দীর্ঘ সময় ধরে, একেক সময় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হচ্ছে। এতেই বোঝা যায় যে, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা কতটা। তবে আশ্রয়কেন্দ্রেও এবার স্বস্তি পাচ্ছে না ইসরায়েলিরা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান। ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করছে ইরানি বাহিনী।






















