নানান নাটকীয়তা শেষে অবশেষে পর্দা নামছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের। রবিবার (৮ মার্চ) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবার শিরোপা জিতলে একাধিক মাইলফলকে নাম লেখাবে ভারত। প্রথম দল হিসেবে টানা তিনটি বৈশ্বিক শিরোপা জিতবে ম্যান ইন ব্লু’রা। একইসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতবে টিম ইন্ডিয়া।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড জিতলেও ইতিহাস গড়ার হাতছানি দিচ্ছে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠলেও প্রথম শিরোপার অপেক্ষায় কিউইরা।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ফাইনালের দিন বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। যদিও আবহাওয়া নিয়ে পূর্বানুমান করা কঠিন। তবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ হওয়ায় শঙ্কাও ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এদিকে বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে খেলা বন্ধ হলে বিকল্প দিন অর্থাৎ রিজার্ড ডে’তে খেলবে। নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট ম্যাচে ফল নির্ধারণের জন্য দুই ইনিংসে অন্তত ১০ ওভার করে খেলা সম্পন্ন হতে হবে। নির্ধারিত দিনে খেলা শেষ না হলে অতিরিক্ত ৯০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। এরপরও ম্যাচ অসম্পূর্ণ থাকলে রিজার্ভ ডে’তে বাকি অংশ আয়োজন করা হবে, যেখানে আরও ১২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
তবে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ট্রফি দুই দলের মধ্যে ভাগাভাগি হবে। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ড ও ভারতকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে। এমন ঘটনা এর আগেও ২০০২ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দেখা গিয়েছিল। সেবার বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ফাইনাল ও রিজার্ভ ডে ভেস্তে যাওয়ায় ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে বিজয়ী হয়েছিল।
এদিকে শিরোপা নির্ধারণী মাঠের উত্তেজনা ঘরে বসেও সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ থাকছে। টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইনে মোবাইলেও দেখা যাবে বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টের বহুল প্রত্যাশিত ম্যাচটি।
ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টেলিভিশন চ্যানেল টি-স্পোর্টস। টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাডে সরাসরি স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকছে। স্মার্টফোন, ট্যাব কিংবা ল্যাপটপ, যেকোনো ডিভাইস থেকেই খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা।





















