জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন ও তথ্য সংশোধনের আবেদনে জালিয়াতি ঠেকাতে সরকারি ৯টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য ভান্ডারের সঙ্গে সমন্বিত যাচাই ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার(২৯ জুন) ইসির এনআইডি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
কর্মকর্তারা জানান, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন, শিক্ষা সনদসহ বিভিন্ন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা যাবে। এতে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে আবেদন করা কঠিন হবে এবং আবেদন নিষ্পত্তির সময়ও কমে আসবে বলে মনে করছে কমিশন।
জানা যায়, বর্তমানে এনআইডি নিবন্ধন ও তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জমা দেওয়া কাগজপত্র কর্মকর্তাদের ম্যানুয়ালি যাচাই করতে হয়। এ কারণে আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগে। পাশাপাশি ভুয়া শিক্ষা সনদ, জাল জন্মনিবন্ধন বা পাসপোর্ট ব্যবহার করে আবেদন করার সুযোগও থেকে যায়। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য ভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যাবে।
এ বিষয়ে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “এনআইডি নিবন্ধন ও সংশোধনের আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া কাগজপত্র অনলাইনে যাচাইয়ের জন্য ৯টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এপিআই চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে কিছু তথ্য অনলাইনে যাচাই করা গেলেও তা ম্যানুয়ালভাবে করতে হয়। এপিআই পাওয়া গেলে আবেদন জমা দেওয়ার সময়ই তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই হয়ে যাবে। এতে ভুয়া আবেদন ও জাল কাগজপত্র ব্যবহারের প্রবণতা কমবে।”
যেসব প্রতিষ্ঠানের তথ্য ভান্ডারের সঙ্গে এনআইডি সিস্টেম যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শাখা এবং নিবন্ধন অধিদপ্তরের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিভাগ।





















