বর্তমানে বাজারে আসা বেশিরভাগ স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপেই ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে অনেকেই প্রয়োজনে ল্যাপটপের চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করতে চান। কিন্তু এতে কি ফোনের ব্যাটারির কোনো ক্ষতি হতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক ধরনের চার্জার ব্যবহার করলে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।
ইউএসবি-সি পিডি থাকলে চিন্তার কারণ নেই
যদি আপনার ল্যাপটপের চার্জার ইউএসবি-সি পিডি প্রযুক্তি সমর্থন করে, তাহলে সেটি দিয়ে স্মার্টফোন চার্জ করা সাধারণত নিরাপদ। এই প্রযুক্তি চার্জার ও ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে কতটুকু বিদ্যুৎ প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, চার্জারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৬৫ ওয়াট বা ১০০ ওয়াট হলেও ফোন যদি সর্বোচ্চ ২০ ওয়াট চার্জিং সমর্থন করে, তাহলে চার্জার কেবল ২০ ওয়াট-ই সরবরাহ করবে। ফলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
দিনে একবার ফোন চার্জ করতে কত টাকা লাগে জানেন?
কীভাবে বুঝবেন চার্জারে পিডি সাপোর্ট আছে?
চার্জার কেনার আগে বা ব্যবহার করার আগে কয়েকটি বিষয় দেখে নিতে পারেন।
চার্জারের গায়ে ইউএসবি-সি পিডি বা পাওয়ার ডেলিভারি লেখা আছে কি না।
স্পেসিফিকেশন অংশে ৫ভি, ৯ভি, ১৫ভি ও ২০ভি-এর মতো একাধিক আউটপুট ভোল্টেজ উল্লেখ রয়েছে কি না।
বিশ্বস্ত ব্র্যান্ডের চার্জার হলে সাধারণত এই তথ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
ল্যাপটপের চার্জার দিয়ে ফোন চার্জ করার সুবিধা
ইউএসবি-সি পিডি সমর্থিত একটি চার্জার থাকলে আলাদা ফোন চার্জার বহন করার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যায়। একই চার্জার দিয়ে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা অন্য ইউএসবি-সি ডিভাইস চার্জ করা সম্ভব। এছাড়া ফোন যদি ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে এবং চার্জারেও সেই মানের পিডি আউটপুট থাকে, তাহলে দ্রুত চার্জ হওয়ার সুবিধাও পাওয়া যায়।
নিরাপত্তার জন্য সবসময় নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের আসল বা মানসম্মত ইউএসবি-সি পিডি চার্জার ব্যবহার করা উচিত। অজানা বা নিম্নমানের চার্জার প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারি কিংবা ডিভাইসের ক্ষতি করতে পারে। চার্জার কেনার সময় ইউএসবি-সি পাওয়ার ডেলিভারি (পিডি) সমর্থন, সেফটি সার্টিফিকেশন এবং নির্মাতার নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করে নেওয়াই ভালো।




















