সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর ৩ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৪ টাকা। এতে শেয়ারটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর কমার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ ও ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করেনি প্রাইম ফাইন্যান্স। সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৪৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রাইম ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৯৯ পয়সায়।
প্রাইম ফাইন্যান্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৫’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রাইম ফাইন্যান্সের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৭২ কোটি ৯১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ২৩৩ কোটি ৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৭ কোটি ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৩। এর ৫৯ দশমিক ১৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক শূন্য ৭ ও বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।




















