বিভিন্ন ঘটনা ও শিক্ষার্থীদের দাবিকে কেন্দ্র করে দেশের বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারো আন্দোলন-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। গত রাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ভাড়া বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মনোনয়নপত্র উত্তোলনকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এছাড়া বিভিন্ন দাবিদাওয়াকে কেন্দ্র করে গতকাল আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন দেশের অন্তত ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
গতকাল তিন দাবিতে দুই দফায় রেললাইন অবরোধ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। এদিন বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে রাখেন তারা। এরপর বেলা দেড়টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেন আটকে রাখা হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদের ব্যানারে কৃষি অনুষদ ছাত্র সমিতির সামনে থেকে একটি মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল জব্বার মোড়সংলগ্ন রেললাইনে গিয়ে হাওর এক্সপ্রেস আটকে দেন। পরে তারা রেললাইনে অবস্থান নিয়ে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনসহ (বিএডিসি) সব গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে দশম গ্রেডের (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা/উপসহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা/সমমান) পদ কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ব্যতীত নবম গ্রেডে পদোন্নতির সুযোগ রাখা যাবে না। কৃষি বা কৃষিসংক্রান্ত বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন না করে কেউ নামের সঙ্গে ‘কৃষিবিদ’ পদবি ব্যবহার করতে পারবেন না। এ বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
বাকৃবি শিক্ষার্থীদের এ তিন দফা দাবির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গতকাল সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ এবং শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বাকৃবিতে কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থীদের তিন দফার আন্দোলন চলাকালেই আরো দুটি অনুষদ ভিন্ন দাবিতে গতকাল মাঠে নামে। বেলা ১টার দিকে কম্বাইন্ড (সমন্বিত) ডিগ্রির দাবি পূরণ না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ দুই শতাধিক শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীরা। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে লাঠিসোঁটা হাতে একদল মানুষ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা মিলনায়তনের তালা খুলে ভেতরে ৮ ঘণ্টা ধরে আটকে থাকা শিক্ষকদের বের করে আনে। এ হামলায় সাংবাদিক, শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আহত শিক্ষার্থীদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা এ হামলা চালিয়েছে।
এরপর উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়।
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির আন্দোলন দমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও কিছু শিক্ষকের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। নারী শিক্ষার্থীরাও এ হামলার শিকার হন।
এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় রাত ৯টায় দিকে বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস ও উপাচার্যের বাসভবনে ভাংচুর চালান।
বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘অন্যান্য অনুষদের শিক্ষার্থীরা আমাদের তালা ভেঙে বের করেছে। বহিরাগতরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে কিনা তা আমরা জানি না। শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার পরেও তারা আমাদের আটকে রাখল। শিক্ষক সমিতির সদস্যরা জরুরি মিটিং করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে এ আটক করে রাখার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষা-কার্যক্রমে আমরা অংশগ্রহণ করব না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘আমি সবচেয়ে পরে বের হয়েছি। বের হয়ে দেখলাম যে কয়েকজন লোক লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে আছে। তারা বহিরাগত ছিলেন নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সেটি আমি বুঝতে পারিনি। কারণ তখন রাত হয়ে গেছিল।’
গতকাল ময়মনসিংহ জেলার আরো একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে সকাল থেকে অনশন পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল শিক্ষার্থী। পরে বেলা ২টার দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি মেনে নিয়ে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হলে অনশন প্রত্যাহার করেন তারা।
এদিকে শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ান কর্তৃক মারধরের শিকার হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে গতকাল দিনভর দফায় দফায় শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে নগরীর ন্যাশনাল হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা। সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। গতকাল বেলা ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হাটহাজারী উপজেলাধীন ফতেপুর ইউনিয়নের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট বাজারের পূর্ব দিক থেকে রেলগেট পর্যন্ত উভয় দিকের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। এছাড়া ২ নম্বর গেট এলাকায় সভা, সমাবেশ, বিক্ষোভ, গণজমায়েত কিংবা অস্ত্র পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উল্লিখিত এলাকায় পাঁচজনের বেশি ব্যক্তি একসঙ্গে চলাচল করতে পারবেন না। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত এ ধারা বলবৎ থাকবে।
সংঘর্ষের ঘটনায় প্রশাসনের কাছ থেকে সহযোগিতা চেয়েও কোনো ধরনের সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘ছাত্রলীগের ক্যাডাররা হামলা করেছে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার ২ ঘণ্টা পার হলেও কেউ আসেনি।’
ক্যাম্পাসের আয়তন বাড়ানো, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা—তিন দফা দাবিতে ৩৪ দিন ধরে মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি ও মহাসড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলেনে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধিরা যোগাযোগ করে আলোচনায় না বসলে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করবেন।
এ বিষয়ে ববি উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবি পুরোপুরি যৌক্তিক। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজটি দ্রুততর করার বিষয়ে ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা হবে। পরিবহন–সংকট নিরসনে আরো কয়েকটি বিআরটিসি বাস ভাড়া করা হবে।’
নবম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে কেবল পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ ও ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং করা। দশম গ্রেডে শুধু ডিপ্লোমাধারীদের সঙ্গে যেন উচ্চ ডিগ্রিধারীরাও আবেদন করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা। শুধু বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরাই যেন প্রকৌশলী (ইঞ্জিনিয়ার) পদবি লিখতে পারেন, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া—তিন দফা দাবিতে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকালও ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ অব্যাহত ছিল।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গত কয়েক দিনের অস্থিরতা, সংঘাতের বিষয়ে শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে এবং আবাসনের মতো বিভিন্ন মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত না করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি নানা ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘আবাসন শিক্ষার্থীদের মৌলিক চাহিদার একটি। শিক্ষার্থীরা দেশের নানা প্রান্ত থেকে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসেন। নতুন একটি জায়গায় তাদের যদি নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করা না যায়, তবে স্বাভাবিকভাবেই তারা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হবেন। বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের পেছনে আবাসন সংকট একটা বড় কারণ। আবাসন সংকটের কারণেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে নানা হয়রানি-অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন। এছাড়া বর্তমানে প্রকৌশল ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় যে আন্দোলন দেখা যাচ্ছে সেটির কারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান না থাকা। দেশে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট তৈরি হচ্ছে, কিন্তু সে অনুপাতে উপযুক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। ফলে নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে তারা আন্দোলনে নামছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের উচিত অবিলম্বে দেশের শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার মধ্যে ভারসাম্য আনতে একটি পরিকল্পনা করা। এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ও মানসম্মত খাবারের সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে সম্ভব না হলেও কয়েক বছরের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে একটি সিট এবং মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এখনই কাজ শুরু করা উচিত।’
চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিস্থিতি নিয়ে আমরাও উদ্বিগ্ন। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা। শিক্ষক ও ছাত্র যখন একে অপরের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা বুঝবেন তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আস্থার সম্পর্ক তৈরি করতে বিষয়ে জোর দেয়া হচ্ছে। এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সংকট একটি বড় সমস্যা। আবাসন সুবিধা যাতে বাড়ানো যায়, নতুন প্রকল্পগুলো যাতে দ্রুত পাস হয় এবং চলমান কাজগুলো দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়ে ইউজিসি যথাসম্ভব সহযোগিতা করছে।’





















