কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এখন স্মার্টফোন ক্যামেরায়ও ব্যাপকভাবে বাড়ছে। ছবি ও ভিডিওর মান উন্নত করা থেকে শুরু করে অবাঞ্ছিত বস্তু সরানো—বিভিন্ন কাজে এআই-ভিত্তিক ফিচার যুক্ত করছে নির্মাতারা। বাজারে থাকা এআই ক্যামেরা সুবিধার উল্লেখযোগ্য পাঁচ স্মার্টফোনের তালিকা দেখে নেওয়া যাক।
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৬ আল্ট্রা
স্যামসাংয়ের এই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে রয়েছে ‘গ্যালাক্সি এআই’ স্যুট। ফটো অ্যাসিস্ট ও ক্রিয়েটিভ স্টুডিওর মতো ফিচার ছবি সম্পাদনায় ব্যবহারকারীদের বাড়তি সুবিধা দেয়।
ফোনটিতে ২০০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরার সঙ্গে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফোটো, ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ও ১০ মেগাপিক্সেলের টেলিফোটো ক্যামেরা। সামনে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।
গুগল পিক্সেল ১০
এআই ক্যামেরা ফিচারের জন্য গুগলের পিক্সেল সিরিজ বরাবরই আলোচিত। পিক্সেল ১০-এ রয়েছে ক্যামেরা কোচ, অটো বেস্ট টেক, ফেস আনব্লার ও টপ শটের মতো সুবিধা।
ফোনটিতে ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরার সঙ্গে ১০.৮ মেগাপিক্সেলের টেলিফোটো ও ১৩ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা রয়েছে। সেলফির জন্য রয়েছে ১০.৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।
আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স
অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও ভিজ্যুয়াল ইন্টেলিজেন্সের সমন্বয়ে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে রিফ্রেমিং, নাইট মোড ও ক্লিন আপের মতো এআই-ভিত্তিক ক্যামেরা সুবিধা।
পেছনে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ এবং সামনে অটোফোকাসসহ ১৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।
ভিভো এক্স৩০০ প্রো
জাইস ক্যামেরা প্রযুক্তির সঙ্গে এআই ফিচারের সমন্বয় করেছে ভিভো। ফোনটিতে এআই টেলিফোটো ট্র্যাকিং ও এআই ফটো স্টুডিওর মতো সুবিধা রয়েছে।
ক্যামেরা সেটআপে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের টেলিফোটো, ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ও ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা। সামনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।
ওয়ানপ্লাস ১৩আর
তুলনামূলক কম বাজেটে এআই ফটোগ্রাফির সুবিধা দিতে ওয়ানপ্লাস ১৩আর-এ রয়েছে এআই আনব্লার, এআই ডিটেইল বুস্ট ও এআই রিফ্লেকশন ইরেজার।
ফোনটিতে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ও টেলিফোটো ক্যামেরার সঙ্গে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা রয়েছে। সেলফির জন্য রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।



















