যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (EIU) প্রকাশিত গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স ২০২৬-এ বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। ১৭৩টি শহরের মধ্যে রাজধানী ঢাকার অবস্থান ১৭১তম।
৭ জুলাই প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং সংস্কৃতি ও পরিবেশ—এই পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে শহরগুলোর বসবাসযোগ্যতা মূল্যায়ন করা হয়েছে।
৯৮ দশমিক ০ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে কোপেনহেগেন। দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা (৯৭.১), তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (৯৭.০), চতুর্থ স্থানে সিডনি (৯৬.৬) এবং পঞ্চম স্থানে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ (৯৬.৫)।
শীর্ষ ১০-এ আরও রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, জাপানের ওসাকা ও টোকিও, অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড এবং কানাডার ভ্যাঙ্কুভার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সেরা ২০টি বসবাসযোগ্য শহরের মধ্যে ৯টি এশিয়ায় অবস্থিত, যা অঞ্চলটির স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও নগর ব্যবস্থাপনায় অগ্রগতির প্রতিফলন।
অন্যদিকে, মাত্র ৩২ স্কোর নিয়ে সিরিয়ার রাজধানী দামাস্ক বিশ্বের সবচেয়ে কম বসবাসযোগ্য শহর হিসেবে তালিকার শেষ অবস্থানে রয়েছে। এর আগে রয়েছে লিবিয়ার ত্রিপলি (১৭২তম) এবং বাংলাদেশের ঢাকা (১৭১তম), যার স্কোর ৪২।
দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোর মধ্যে দিল্লি রয়েছে ১২০তম, মুম্বাই ১২১তম, চেন্নাই ১২৩তম, বেঙ্গালুরু ১২৭তম এবং করাচি ১৭০তম স্থানে।
EIU বলছে, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ, যানজট, বায়ুদূষণ, অপর্যাপ্ত নগর পরিকল্পনা এবং জনস্বাস্থ্য অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলো বসবাসযোগ্যতার সূচকে পিছিয়ে রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অপরাধের হার কমায় নিউইয়র্কের স্থিতিশীলতা সূচকে উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে চীনের কয়েকটি শহরের অবস্থানও আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে।
তথ্যসূত্র: The Economist Intelligence Unit (EIU), Global Liveability Index 2026




















