টেলিযোগাযোগ সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল ও লাইফস্টাইল সেবা একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসছে বাংলালিংক। এ লক্ষ্যে নিজেদের সেলফ সার্ভিস অ্যাপ মাইবিএলে পরিবর্তন এনে ‘মুক্ত’ নামে নতুন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করছে প্রতিষ্ঠানটি। যেকোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
বাংলাদেশের প্রথম টেলকো-অ্যাগনস্টিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মুক্ততে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট, দেশের যেকোনো মোবাইল নম্বর কিংবা বিশ্বের যেকোনো দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে লগইন করা যাবে। ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহারকারীরা একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির সেবা নিতে পারবেন।
‘মুক্ত’ সবার জন্য উন্মুক্ত ও সহজে ব্যবহারযোগ্য একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। এতে গান ও গল্প শোনা, ইসলামিক পরামর্শ, সর্বশেষ খবর ও খেলা দেখার মতো বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজনের পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ সেবা এবং দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর নানা সুবিধা থাকবে।
অ্যাপটিতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইভিত্তিক ‘পার্সোনালাইজেশন’ ফিচার ব্যবহারকারীর আগ্রহ ও পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন পণ্য ও সেবার সুপারিশ করবে অ্যাপটি।
এ ছাড়া নিজের মোবাইল নম্বরের পাশাপাশি পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জনদের নম্বরেও সেবা পরিচালনা করা যাবে এ অ্যাপ থেকে ।
বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, গ্রাহকদের শুধু টেলিযোগাযোগ সেবার চাহিদা নয়, এর বাইরেও দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন প্রয়োজন বোঝার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
তিনি বলেন, ‘গ্রাহককে অগ্রাধিকার দেওয়ার অর্থ হলো, সংযোগ সেবার বাইরেও তাঁদের নানা ধরনের প্রয়োজন রয়েছে, তা বোঝা। মানুষ তাদের ডিজিটাল জীবনকে কোনো নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের সেবার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। তারা এমন প্রযুক্তি চায়, যা দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে মিশে গিয়ে জীবনকে আরও সহজ, সুবিধাজনক ও ব্যক্তিগত পছন্দের উপযোগী করে তুলবে। মুক্তর মাধ্যমে আমরা এসব সেবা এক জায়গায় নিয়ে আসতে চাই, যাতে সবাই তা ব্যবহার করতে পারেন।’
‘মুক্ত’ অ্যাপ চালুর মধ্য দিয়ে বাংলালিংকের ডিজিটাল সেবা দেওয়ার কৌশলেও পরিবর্তন আসছে। আগে প্রতিষ্ঠানটি মূলত নিজেদের গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল সেবা তৈরি করলেও এখন সব মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকদের জন্য আরও বিস্তৃত পরিসরে এসব সেবা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।
গ্রাহককেন্দ্রিক ও ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার যাত্রায় ‘মুক্ত’ অ্যাপের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনে ডিজিটাল সেবা আরও সহজলভ্য ও প্রাসঙ্গিক করাই বাংলালিংকের লক্ষ্য।
—





















