ভোটে জয়ী হলে দেশের আইসিটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেনছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনারওগাঁওয়ে পড়ন্ত বিকেলে ইশতেহার ঘোষণার শেষ ভাগে এসে এই পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন তিনি।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সাইবার নিরাপত্তাসহ পাঁচটি বিষয়ে প্রাধান্য দিয়ে জানালেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে ৮ লাখসহ মোট ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা তুলে ধরেন তারেক রহমান। একইসঙ্গে নতুন রফতানি খাত হিসেবে ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল ও খেলনা তৈরির মতো কয়েকটি খাতকে বন্ডসুবিধার ও ঘনঘন নীতিমালা পরিবর্তন থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষ বিশেষ স্থানে উচ্চগতির ফ্রি ইন্টারনেট সেবা চালুর কথাও পূণর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেছেন, সেবাখাতকে প্রযুক্তি নির্ভর করে নতুন নতুন কর্মসংস্থান গড়ে তোলা হবে। সাইবার নিরাপত্তা, বিপিও, এআই ডেটা, সেমিকন্ডাক্টর ও ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ সহ পঁচটি খাতে সরাসরি ২ লাখ এবং ফ্রিল্যান্সিং ও কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আরও আট লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
এ নিয়ে ইশতেহারের আইসিটি অংশে বলা হয়েছে, উদ্ভাবন ও আইসিটি পরিষেবা রফতানিকে সর্বোচ্চ উৎসাহিত করার মাধ্যমে দেশের জিডিপিতে আইসিটি খাতের অবদান ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।
ইশতেহারে মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভূক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন, ক্যারিয়ার পোর্টাল ও জব ম্যাচিং সেবা চালু, জাতীয় ডিজিটাল স্কিল অথরিটি গঠন; উদ্ভাবন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তার কথা বলা হয়েছে। কর্মসংস্থান ও যুব উন্নয়ন কর্মসূচির অধীনে আইসিটিকে যুক্ত করে আইটিপার্কগুলোতে অফিস স্পেস ও ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা প্রদান, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান, এসএমই ঋণ প্রদান ও অ্যামাজন, আলিবাবায় সংযুক্তকরণ; তথ্যপ্রযুক্তিতে নতুন শিল্প গড়েতোলা, আন্তর্জাতিক পেমেন্টসুবিধা চালু, ট্যাক্স কাঠামো যৌক্তিকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।






















