বাংলাদেশের শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা, স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা ও নতুন ব্যবসায়িক ধারণা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের তুলে ধরার সুযোগ এসেছে। ‘স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ডকাপ’-এর বাংলাদেশ পর্বে অংশ নিয়ে বিজয়ী হলে আগামী ৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠেয় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা যাবে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক ধারণা থেকে শুরু করে প্রি-সিড, সিড এবং প্রাথমিক পর্যায়ের সিরিজ-এ পর্যায়ে থাকা পাঁচ বছরের কম বয়সী স্টার্টআপগুলো এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। সর্বোচ্চ তিন সদস্যের দল নিয়ে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
বিজয়ীর জন্য পুরস্কার
বাংলাদেশ পর্বের বিজয়ী পাবেন ৫০ হাজার টাকা, ক্রেস্ট ও সনদ। পাশাপাশি সরাসরি সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠেয় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলবে।
শুধু বিজয়ী নয়, বাংলাদেশ পর্বের সেরা ১০টি স্টার্টআপও আন্তর্জাতিক আয়োজনের নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। সেখানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়িক খাতের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ থাকবে।
থাকছে প্রশিক্ষণের সুযোগ
বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করতে অভিজ্ঞ উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে দুটি সরাসরি প্রশিক্ষণ সেশনের আয়োজন করা হবে।
এসব প্রশিক্ষণে ব্যবসায়িক উপস্থাপনা, বিনিয়োগকারীদের সামনে প্রকল্প উপস্থাপন বা পিচিং এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে।
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ডকাপ বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর আশিক খান বলেন, গত বছর সফলভাবে বাংলাদেশ পর্ব আয়োজন করা হয়েছিল। ওই আসরে দেশের একটি স্টার্টআপ বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
তার ভাষায়, গত বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হচ্ছে। দেশের উদ্ভাবনী স্টার্টআপগুলোর জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
গতবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিল রোবো টেকনোলজিস
গত আসরে বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ী হয়ে সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিল রোবো টেকনোলজিস।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তি খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।
আগ্রহী উদ্যোক্তারা ২০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করতে পারবেন।





















