অনুমতি ছাড়া উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহারের অভিযোগে মার্কিন আইফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের বিরুদ্ধে পেটেন্ট মামলা করে ট্যাকশন টেকনোলজি। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে অ্যাপলকে রেকর্ড পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত। খবর রয়টার্স।
আদালতের তথ্যানুযায়ী, ট্যাকশনকে ৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন বা ৫৭০ কোটি ডলারেরও বেশি প্রদান করবে অ্যাপল। মার্কিন ইতিহাসে পেটেন্ট-সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অংকের জরিমানা। আদালতের জুরি বোর্ড শুক্রবার রায়টি ঘোষণা করে।
রায়ে বলা হয়, অ্যাপলের ব্যবহৃত ‘ট্যাপটিক ইঞ্জিন’ প্রযুক্তি মূলত ট্যাকশনের দুটি পেটেন্ট স্বত্ব লঙ্ঘন করেছে। আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচে বিশেষ এক ধরনের কম্পন বা হ্যাপটিক ফিডব্যাক তৈরি করতে ট্যাপটিক ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়। তবে রায়ের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে অ্যাপল। কোম্পানিটি এক বিবৃতিতে জানায়, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, অ্যাপলের ট্যাপটিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি ট্যাকশনের প্রযুক্তির চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এমনকি আদালত চলাকালীন ট্যাকশনের নিজস্ব পরীক্ষায়ও পার্থক্য ধরা পড়েছে বলে অ্যাপল দাবি করে।
ট্যাকশন মূলত হেডফোন ও গেমিং হেডসেটে ব্যবহৃত বিশেষ কম্পন প্রযুক্তি তৈরি করে।
প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালে অ্যাপলের বিরুদ্ধে পেটেন্ট চুরির মামলাটি দায়ের করেছিল। অ্যাপল শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল এবং দাবি করেছিল ট্যাকশনের পেটেন্টগুলো বৈধ নয়। এর আগে ২০২৩ সালে অ্যাপল কোনো পেটেন্ট লঙ্ঘন করেনি বলে রায় দেন সান দিয়েগোর এক ফেডারেল বিচারক। তবে গত বছর মার্কিন আপিল আদালত মামলাটি পুনরায় চালু করার নির্দেশ দেয়। এর ধারাবাহিকতায় এবার ঐতিহাসিক এ জরিমানা রায় দিল জুরি বোর্ড।





















