২০২৫ সালের অক্টোবরে ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কে Dazzle-এর শোরুম থেকে আইফোন ১৫ কেনেন ফারিয়া হোসাইন। এর আগে একই প্রতিষ্ঠান থেকে আইফোন ১৩ কেনার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে এবার ওয়ারেন্টি সার্ভিস নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে অভিযোগ তাঁর।
ফারিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০ আগস্ট তাঁর আইফোনের স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ম্যাকবুকের মাধ্যমে ফোনটি চালু করার চেষ্টা করলে সেটি ফ্রিজড অবস্থায় দেখতে পান তিনি। ফোনটির অ্যাপলের আনুষ্ঠানিক ওয়ারেন্টি থাকায় সেটি নিয়ে Dazzle-এর শোরুমে যান।
ফারিয়া জানান, শোরুমের কর্মীরা দুই থেকে তিন ঘণ্টা চেষ্টা করেও ফোনটি ঠিক করতে পারেননি। পরে তাঁকে হার্ডওয়্যার সমস্যার কথা জানিয়ে ফোনটি সার্ভিসিংয়ে পাঠানোর কথা বলা হয়। তখন চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানানো হয়েছিল। পরে যোগাযোগ করলে ছয় থেকে নয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে তাঁকে জানানো হয়।
তবে নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি এসেও ফোনটি ফেরত পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ফারিয়ার দাবি, ফোনের অগ্রগতি জানতে সংশ্লিষ্ট কর্মীর সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করতে হচ্ছে। ওই কর্মী হোয়াটসঅ্যাপে অনেক বার্তা ও কল আসায় তাঁর মেসেজ চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ফারিয়া জানান, সর্বশেষ তাঁকে বলা হয়েছে, Dazzle-এর একজন প্রতিনিধি ফোনটি দুবাইয়ের একটি অ্যাপল স্টোরে জমা দিয়েছেন। এরপর ফোন ফেরত পাওয়ার সম্ভাব্য সময় জানতে বার্তা পাঠালেও সেটি দেখা হয়েছে, কিন্তু উত্তর পাননি বলে দাবি তাঁর।
দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহার করতে না পারায় তাঁর ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ফারিয়া। তাঁর ভাষ্য, আগে একই প্রতিষ্ঠান থেকে ফোন কেনায় এবারও Dazzle-এর ওপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু বর্তমান অভিজ্ঞতায় প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয়োত্তর সেবা নিয়ে তাঁর আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় ফোনটি কোথায় রয়েছে, মেরামতের অগ্রগতি কী এবং কবে নাগাদ ফেরত দেওয়া সম্ভব—এসব বিষয়ে Dazzle কর্তৃপক্ষের কাছে স্পষ্ট জবাব চেয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে Dazzle থেকে পণ্য কেনা ও বিক্রয়োত্তর সেবা নেওয়ার অভিজ্ঞতা জানতে অন্য গ্রাহকদের কাছেও প্রশ্ন রেখেছেন ফারিয়া। তাঁর প্রশ্ন, প্রতিষ্ঠানটির সার্ভিস পেতে অন্য গ্রাহকদেরও কি এমন দীর্ঘ অপেক্ষা ও যোগাযোগের সমস্যায় পড়তে হয়?





















