দেশব্যাপী শিশু-কিশোরদের টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৯ মাস থেকে ১৫ বছর ১১ মাস ২৯ দিন বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশু-কিশোররা বিনামূল্যে টিকা পাবে।
গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের সহায়তায় টাইফয়েডের টিকা দেশে আনা হয়েছে। এক ডোজের ইনজেকটেবল এই টিকা তিন থেকে সাত বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে।
টিকা পেতে অনলাইন নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। ভালো খবর হলো, ঘরে বসে নিজের স্মার্টফোন থেকেই রেজিস্ট্রেশন করা যাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের পর ভ্যাকসিন কার্ড ডাউনলোড করে নিতে হবে। টিকা গ্রহণের সময় এই কার্ড দেখাতে হবে।
টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত একটি রোগ। দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়
টাইফয়েড টিকার মাধ্যমে টাইফয়েড জ্বর এবং জ্বরজনিত জটিলতা প্রতিরোধ করা যায়
১২ অক্টোবর, ২০২৫ হতে মাসব্যাপী সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে
বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে
৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সি সকল শিশু এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৯ম শ্রেণি/সমমান পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রী ১ ডোজ টাইফয়েড টিকা পাবে
ক্যাম্পেইন চলাকালে নির্ধারিত দিনে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে
vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে জন্ম নিবন্ধনের তথ্য (১৭ সংখ্যা) দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা কার্ড ডাউনলোড করে টাইফয়েড টিকা গ্রহণের দিন সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে
জন্ম নিবন্ধন না করা থাকলে ক্যাম্পেইনে ১ ডোজ টাইফয়েড টিকার জন্য জন্ম নিবন্ধন (১৭সংখ্যার) নিশ্চিত করতে হবে
যে সকল ছাত্র ছাত্রী ৭ম/৮ম/৯ম/সমমান শ্রেণিতে পড়ে, জন্ম নিবন্ধন (১৭ সংখ্যার) আছে কিন্তু বয়স ১৫ বছরের বেশি, তারা টাইফয়েড টিকার জন্য নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অথবা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য সহকারী/টিকাদানকারীর সাথে যোগাযোগ করুন
এই টিকা পেতে আজই জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য (১৭ ডিজিট) দিয়ে www.vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন