অ্যাপলের প্রথম ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল আইফোনে থাকতে পারে স্ক্রিনের নিচে লুকানো ২৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। স্মার্টফোন শিল্পে এমন ক্যামেরা আগে কখনো দেখা যায়নি। বহু বছর ধরেই ফোল্ডেবল আইফোন নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। তবে এবার অ্যাপলের নতুন ক্যামেরা প্রযুক্তিতে বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে জেপি মরগানের সর্বশেষ প্রতিবেদনে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অ্যাপল যদি স্ক্রিনের নিচে ২৪ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আনতে পারে, তবে এটি হবে টেক জায়ান্টটির জন্য সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার উদ্ভাবনের মধ্যে একটি। কারণ এখন পর্যন্ত স্ক্রিনের নিচে থাকা ক্যামেরা প্রযুক্তি তেমন কার্যকর প্রমাণিত হয়নি।
বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, এর আগে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড থেকে শুরু করে জিটিইর অ্যাক্সন সিরিজসহ বেশকিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে প্রযুক্তিটি ব্যবহারের চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু ফল ছিল হতাশাজনক। কারণ ডিসপ্লের স্তরের নিচে লুকানো থাকায় এসব ক্যামেরা যথেষ্ট আলো ধরতে পারে না। ফলে সেলফিগুলো পরিষ্কার না হয়ে ঝাপসা ও ফ্যাকাশে দেখায়।
জেপি মরগানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফোল্ডেবল আইফোনে থাকবে ২৪ মেগাপিক্সেলের আন্ডার-স্ক্রিন ক্যামেরা। এতে থাকবে ছয়টি প্লাস্টিক লেন্স। রেজল্যুশনে বড় অগ্রগতি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাপল স্ক্রিনের নিচ দিয়ে আলো প্রবাহিত হওয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করতে পেরেছে। ফলে ছবিগুলো হয়তো এখন সাধারণ ফ্রন্ট ক্যামেরার মতো পরিষ্কার দেখাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপল এ ডিভাইসে আলোপ্রবাহ ও ছবির মান উন্নত করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি ক্যামেরাপ্রেমীদের এবার অনেক কিছু থাকবে।
বিশ্লেষক মিং-চি কু বলছেন, ফোল্ডেবল আইফোনে দুটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা এবং দুটি ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকতে পারে। এর মধ্যে একটি ফোন ভাঁজ করা অবস্থায় ব্যবহারের জন্য এবং আরেকটি ভেতরের স্ক্রিনের নিচে লুকানো থাকবে।
উল্লেখ্য, অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোনটি ২০২৬ সালেই বাজারে আসবে বলে ধারণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু ফোনের উন্মোচন এক বছর পেছাতে পারে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
অ্যাপল জানিয়েছে, ডিভাইসটি যেন কোম্পানির প্রিমিয়াম মানের চাহিদা পূরণ করতে পারে সেজন্য তারা সময় নিচ্ছে।






















