ফিচার ও ডিজাইনের মোহে পড়ে অনেকে নতুন আইপ্যাড কিনে থাকেন। অবশ্য কাজের ধরন অনুসারেও আইপ্যাড অনেকে পাল্টে থাকেন। এর কোনোটিতেই কোনো সমস্যা নেই। তবে অবহেলায় টুকিটাকি জিনিসের স্তূপে পড়ে থাকে পুরনোটি। কিন্তু আমরা যতটা ভাবছি ততটাও অকাজের নাও হতে পারে পুরনো আইপ্যাডটি। বরং বিকল্প কোনো কাজেও তা ব্যবহার করা যায়। এমনই চারটি বিকল্প তুলে ধরা হলো এখানে —
ব্যাকআপ কম্পিউটার
আইপ্যাড কখনো ম্যাকবুকের বিকল্প হতে পারে? আগে ব্যবহারকারীরা হতাশার স্বরে বলতেন, ‘না।’ কিন্তু আইপ্যাডওএস ২৬ বা এর পরের সংস্করণগুলো প্রায় ম্যাকবুকের সমতুল্য। উইন্ডোজ অ্যাপ, মেনুবার কন্ট্রোল, ফাইল ম্যানেজমেন্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড টাস্ক নিয়ে কিছু সমস্যা হলেও সমাধান রয়েছে। পুরোপুরি ল্যাপটপের বিকল্প হওয়া সম্ভব না হলেও আইপ্যাড খুব কার্যকর। হালকা, পোর্টেবল ল্যাপটপ হিসেবে কফি শপ বা ছুটির দিনে এটিকে ব্যবহার করা যায়। ব্যবহার সহজ করতে ভালো একটি কি-বোর্ড কেস খুঁজে নিতে হবে, ম্যাজিক মাউসের সস্তা বিকল্প বেছে নিতে হবে আর লাগবে পাওয়ার ব্যাংক।
ব্যায়াম সহায়ক
ব্যায়ামের জন্য ভালো সহায়ক অ্যাপল ফিটনেস অ্যাপ। আইফোনের ছোট স্ক্রিনের কারণে এটি ব্যবহার করা কঠিন। তাই বড় স্ক্রিনের জন্য পুরনো আইপ্যাড ব্যবহার করা ভালো। এ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য আইপ্যাডওএস ১১ বা এর পরের সংস্করণ দরকার। এতে হ্যান্ডব্রেক দিয়ে নিজস্ব ডিজিটাল ফাইল বানানো সহজ। এছাড়া হোম জিম বা ওয়ার্কআউট মেশিনে মিডিয়া দেখার জন্যও উপযুক্ত আইপ্যাড। ট্রেডমিল বা ব্যায়াম যন্ত্রে স্ক্রিনের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায় আইপ্যাড। সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া অ্যাপ বা ফাইল চালানোর সুযোগ তো থাকছেই।
টেলিপ্রম্পটার
ইউটিউবার বা অনলাইনভিত্তিক বক্তারা আইপ্যাডকে টেলিপ্রম্পটার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এটি টেলিপ্রম্পটারের জন্য উপযুক্ত, কারণ এর বড় উজ্জ্বল স্ক্রিন। আইপ্যাডওএস ১৫ বা এর পরের মডেলগুলোয় টেলিপ্রম্পটার অ্যাপ ফ্রিতে ব্যবহার করা যায়। এসব অ্যাপের দৈর্ঘ্যের সীমা নেই এবং ভিডিও রেকর্ড করার সময় স্ক্রিপ্ট পড়া যায়। এছাড়া স্ক্রিপ্ট অটো-স্ক্রলিং স্ক্রিন হিসেবে ব্যবহার করা যায় আইপ্যাড।
রেস্টুরেন্ট মেনু বা ক্যাশ রেজিস্টার
রেস্টুরেন্টে মেনু প্রদর্শনের জন্য আইপ্যাড বেশ চমৎকার। নির্দিষ্ট স্থানে ফিট করে রাখলে, বিশেষ করে আইপ্যাড মিনি হলে সহজে স্ক্রল করে দেখতে পারবেন গ্রাহকরা। যারা ছোট লেখা দেখতে সমস্যায় পড়েন, তারা জুম ইন করতে পারেন এবং উজ্জ্বল স্ক্রিন কম আলোয়ও দেখতে সাহায্য করে। এছাড়া আইপ্যাডকে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) অ্যাপের মাধ্যমে ক্যাশ রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।





















