প্রতিব বছরের মতোই ৫৪তম বিজয় দিবসের শুরুতেই সোশ্যাল হ্যান্ডেলগুলো রেঙেছ লাল-সবুজের রঙে। মুক্তযুদ্ধ সময়ে নানা ছবির পাশাপাশি নিজেদের প্রত্যাশা ও আর প্রত্যয়ের কথা প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। পোস্টে-প্রোফাইলে বিজয়ের ফল্গুধারা ঝড়েছে।
সেই ফল্গুধারায় এবারের বিজয় দিবসের সোশ্যাল হ্যান্ডেলের একটা বড় অংশ জুড়ে ছড়িয়ে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। তাকে নিয়ে লেখা তরুণ কবি জিয়া হকের একটি কবিতা আর গান জয় করেছে নেটিজেনদের হৃদয়। তার লেখা ‘গুলি-টুলি হাদিদের চুলটাও ছেঁড়ে না’ ৮ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ এবং ‘হাদি তুই ফিরে আয়’ সংগীতটি ১৬ ডিসেম্বর ৬ লাখের বেশি ভিউ হয়েছে।
এরমধ্যে কবিতা ‘গুলি-টুলি হাদিদের চুলটাও ছেঁড়ে না’ গত দুই দিনে শুধু পাঁচজনের ওয়াল থেকে ৮ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ হয়েছে। আর শিল্পী আবু উবায়দার ইউটিউব থেকেই শুধু একদিনে প্রায় ছয় লাখ ভিউ হয়েছে ‘হাদি তুই ফিরে আয়’ বিপ্লবী সংগীতটি। এদের মধ্যে ওসমান গণি’র অ্যাকাউন্ট থেকে ৩.৯ মিলিয়ন, মহিউদ্দিন ১.৯ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে।
তবে এসবের বাইরে ইনস্ট্যাগ্রাম ও টিকটকেও সমান তালে ঝড় তুলেছে বিপ্লবি কবিতা ও শপথের এই গানটি। খসড়া পরিসংখ্যান বলছে বিজয় দিবসের দিনেই দিনেই গুলি-টুলি হাদিদের চুলটাও ছেঁড়েনা কবিতাটি ১০ মিলিয়নের মাইল ফলক অতিক্রম করেছে। কবিতাও শুনেছেন তারা।
এ নিয়ে কবিতা ও গানের লেখক জিয়া হক বলেছেন, কবিতার বেল নাই’র যুগে’ এটা অবশ্যই বিরাট ব্যাপার। সামান্য একটি কবিতা এত এত মানুষ শুনবে এটা আমার কাছে অকল্পনীয়।আমার সামান্য প্রচেষ্টা কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর! গতকাল ও আজকে ফেসবুকে কয়েক হাজার টেক্সট পেয়েছি। আবেগঘন সব টেক্সট। সবার আকুতি, ও*সমান হা*দি ভাই ফিরে আসুক আমাদের মাঝে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে।
অপরদিকে আবু উবায়দা ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী এক মাসে তার ইউটিউব থেকে যত টাকা আয় হবে, পুরোটা হাদি’র পরিবারকে গিফট হিসেবে দিবেন।





















