মোবাইল আর্থিক সেবা (MFS) প্রতিষ্ঠান বিকাশের এজেন্টদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বর্তমানে অতিরিক্ত চাপ ও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এজেন্টদের ভাষ্য, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে একাধিক সিদ্ধান্ত ও সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এজেন্টদের পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষভাবে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
Bangla QR নিয়ে সিদ্ধান্ত: কোনো এজেন্টের কাছে Bangla QR থাকবে কি না, সে সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে নির্ধারণ না করে সংশ্লিষ্ট এজেন্টদের ব্যবসায়িক প্রয়োজন ও মতামত বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
Merchant থেকে Agent ক্যাশ আউট: এ ধরনের লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণে এজেন্টদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতিমালা নির্ধারণের দাবি তাদের।
DPS-এর চাপ: এজেন্টদের ওপর DPS নেওয়ার জন্য অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এমন বিষয়ে এজেন্টদের ওপর চাপ প্রয়োগ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
Agent B2B ব্যাংক লিমিট: ব্যবসার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক লিমিট না পাওয়ায় এজেন্টদের লেনদেন পরিচালনায় নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ক্যাশ আউট চার্জে বৈষম্য: বিভিন্ন ধরনের এজেন্টের ক্ষেত্রে ক্যাশ আউট চার্জ ও সুযোগ-সুবিধার পার্থক্য নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে। এজেন্টদের দাবি, এ ধরনের বৈষম্যের পরিবর্তে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য কাঠামো প্রয়োজন।
এজেন্টদের পক্ষ থেকে মূল প্রশ্ন তোলা হয়েছে, একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কোনো এজেন্টের কাছে কোন পণ্য বা সেবা থাকবে এবং তিনি কীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করবেন—এসব বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির হস্তক্ষেপের সীমা কতটুকু হওয়া উচিত।
তাদের মতে, এজেন্টরা বিকাশের সেবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ না করে ব্যবসায়িক বাস্তবতা, মাঠপর্যায়ের সমস্যা ও এজেন্টদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
এজেন্টদের দাবি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা করে স্বচ্ছ, সমন্বিত ও গ্রহণযোগ্য একটি সমাধান বের করা হলে একদিকে এজেন্টদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ হবে, অন্যদিকে গ্রাহকরাও আরও কার্যকর সেবা পাবেন।




















