জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, মোবাইল ফোনের কল-সংক্রান্ত তথ্য কিংবা মোবাইল আর্থিক সেবার লেনদেনের বিবরণ—ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল এসব তথ্য অর্থের বিনিময়ে অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ডিজিটাল অধিকার ও তথ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাবের অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে। অনুসন্ধানে অনলাইনে ব্যক্তিগত তথ্য কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত অন্তত ১০টি ওয়েবসাইট, ৩৬টি ফেসবুক গ্রুপ ও ১১২টি মোবাইল নম্বরের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্ল্যাটফর্মের একটি অংশ সরাসরি তথ্যের উৎস নয়; তারা মূলত মধ্যস্বত্বভোগী বা পুনর্বিক্রেতা হিসেবে কাজ করছে। চাঁদপুরের একটি ওয়েবসাইটের মালিক অনুসন্ধানকারীদের কাছে ৪ হাজার ৫০০ টাকায় বিকাশ স্টেটমেন্ট সরবরাহের কথা স্বীকার করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে, নাগরিকের আর্থিক লেনদেনের তথ্য কীভাবে তৃতীয় পক্ষের হাতে যাচ্ছে এবং এসব তথ্য সংগ্রহ ও বিক্রির পেছনে কারা রয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল অপারেটর, আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি ব্যবস্থার তথ্য সুরক্ষা কাঠামো নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তবে তথ্য ফাঁসের নির্দিষ্ট উৎস বা কোনো প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম থেকে সরাসরি তথ্য চুরি হয়েছে কি না—তা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যায় না। এ কারণে প্রতিবেদনে অভিযোগ, অনুসন্ধানের ফল এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য আলাদা করে উপস্থাপন করা জরুরি।





















