জিমেইল মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলোর মধ্যে একটি। অফিসের কাজ থেকে শুরু করে ব্যাংকের প্রয়োজনীয় তথ্য, সবই এর মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। তবে অনেক সময় দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ ইমেইলও নিজে থেকেই স্প্যাম ফোল্ডারে চলে যায়। ফলে জরুরি ইমেল চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কিছু সেটিংস বদল করলে গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল আর স্প্যামে যাবে না, সরাসরি ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।
জিমেইলে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-ভিত্তিক স্প্যাম ফিল্টার রয়েছে। এই ফিচারের কাজ হলো সন্দেহজনক বা ভুয়া ইমেইল চিহ্নিত করা। তবে অনেক সময় এই সিস্টেম ভুল করে আসল ইমেইলকেও স্প্যাম হিসেবে ধরে ফেলে। সাধারণত নতুন কোনো ইমেইল ঠিকানা থেকে মেইল এলে, মেইলের বিষয়বস্তু প্রচারমূলক মনে হলে বা আগে একই ধরনের ইমেইল স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করা থাকলে এমনটা হতে পারে।
যদি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার ইমেইল নিয়মিত আপনার কাছে আসে, তবে সেই ইমেইল ঠিকানার জন্য ফিল্টার তৈরি করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। এর জন্য প্রথমে কম্পিউটারে জিমেইল খুলুন। এরপর সার্চ বারের পাশে থাকা অনুসন্ধান বিকল্পে ক্লিক করুন। এবার প্রেরক বক্সে সংশ্লিষ্ট ইমেইল ঠিকানা লিখে ফিল্টার তৈরি করুন বোতামে চাপুন। এরপর ‘কখনোই স্প্যামে পাঠাবেন না’ বিকল্পটি নির্বাচন করুন। সবশেষে আবারও ফিল্টার তৈরি করুন অপশনে ক্লিক করুন। এরপর থেকে ওই ঠিকানা থেকে আসা সমস্ত মেইল সরাসরি ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।
যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল ভুল করে স্প্যাম ফোল্ডারে চলে যায়, তবে সেটি সহজেই আবার ইনবক্সে ফিরিয়ে আনা যায়। এর জন্য কম্পিউটারে জিমেইল খুলে বাঁ দিকের অন্যান্য বিকল্প থেকে স্প্যাম ফোল্ডার খুলুন। এবার যে ইমেইলটি ফিরিয়ে আনতে চান, সেটি খুলে উপরে থাকা ‘স্প্যাম নয়’ অপশনে ক্লিক করুন। এরপর থেকে জিমেইল ওই ইমেইল ঠিকানাটিকে চিনতে পারবে এবং ভবিষ্যতে সেটি স্প্যামে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।
বেশিরভাগ মানুষই স্মার্টফোনে জিমেইল ব্যবহার করেন। তবে মোবাইল অ্যাপে সরাসরি ফিল্টার তৈরির সুবিধা না থাকলেও স্প্যামে চলে যাওয়া ইমেইল সঠিক ফোল্ডারে ফিরিয়ে আনা যায়। এর জন্য জিমেইল অ্যাপ খুলে স্প্যাম ফোল্ডারে যান। এরপর সংশ্লিষ্ট ইমেইলটি খুলে উপরের তিনটি বিন্দুতে ট্যাপ করুন। তারপর ‘স্প্যাম নয় বলে প্রতিবেদন করুন’ অথবা ‘স্প্যাম নয়’ অপশনটি নির্বাচন করুন। এতে ভবিষ্যতে ওই ইমেইল স্প্যামে যাওয়ার আশংকা আর থাকবে না।




















