তীব্র গরমে প্রশান্তি পেতে এয়ার কন্ডিশনার বা এসি এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তবে এসি ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ বিলের দুশ্চিন্তাও বেড়ে যায়। কিছু সহজ কৌশল ও সেটিংস পরিবর্তন করলে শরীর শীতল রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ও অর্থ, উভয়ই সাশ্রয় করা সম্ভব।
বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসির তাপমাত্রা সব সময় ২৬ ডিগ্রিতে রাখার চেষ্টা করুন। এই তাপমাত্রায় ঘর যেমন আরামদায়ক থাকে, তেমনি এসির কম্প্রেসরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না। এছাড়া রাতে শোয়ার সময় সারারাত এসি না চালিয়ে টাইমার সেট করা একটি বুদ্ধিমানের কাজ। এক বা দুই ঘণ্টার টাইমার দিয়ে রাখলে ঘর ঠান্ডা হওয়ার পর এসি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে, যা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
এসির কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং বড় ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি এড়াতে নিয়মিত সার্ভিসিং করা জরুরি। বিশেষ করে গ্যাস লিকেজ এবং ফিল্টারে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করলে এসি দ্রুত ঘর ঠান্ডা করতে পারে। মনে রাখবেন, এসি যদি কোনো ওভারলোডেড বা পুরনো সার্কিটে প্লাগ করা থাকে, তবে সেখান থেকে শর্ট সার্কিট বা আগুনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিরাপদ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বর্তমানে সাধারণ এসির চেয়ে ইনভার্টার স্মার্ট এসিতে বিনিয়োগ করা বেশি লাভজনক। এটি যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, তেমনি এর স্থায়িত্বও বেশি। সাধারণত বেশিরভাগ ব্র্যান্ড এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। একটি উইন্ডো এসি ৮ থেকে ১০ বছর এবং স্প্লিট এসি ১০ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত অনায়াসে ব্যবহার করা যায়, যদি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা হয়।





















